Logo_print
 
সূচীপএ : নিয়মিত বিভাগ
[ডাকবন্ধু] দূর হোক আঞ্চলিক বৈষম্য

বাংলাদেশের মানচিত্রকে যদি দারিদ্র্যের মাপকাঠিতে সাজানো হয়, তাহলে দেখা যাবে একই দেশের মধ্যে দুটি রূপ। দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে হতদরিদ্র ও গরিব মানুষের সংখ্যা বেশি। অন্যদিকে পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে রয়েছে উন্নয়ন ও বিত্তের ছোঁয়া। ২০০০-২০০৫ এই পাঁচ বছরে দেশে যেখানে গড়ে ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ হারে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে সেখানে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এই হারের গড় মাত্র ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। পুঁজিবাদের অন্তর্নিহিত অসম উন্নয়নের নিয়মে কোনো একটি অঞ্চলের দ্রুত উন্নয়ন অন্য অঞ্চলের অনুন্নতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অর্থনীতির পরিভাষায় একে বলা হয় ‘আঞ্চলিক বৈষম্য’। বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে এই আঞ্চলিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসনের অভাব অসম বণ্টনের ফল। বাজারভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় যেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাণিজ্য, সহায়ক শিল্প ও অধিকতর মুনাফা লাভের নিশ্চয়তা আছে পুঁজি ও শ্রমশক্তি সেদিকেই ধাবিত হবে। এই আঞ্চলিক মেরুকরণকে অর্থনীতির পুঞ্জীভূত কারণ সম্পর্ক দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়। সুইডিস অর্থনীতিবিদ গুনার মিরডাল একে ‘কারণের চক্রবৃদ্ধি নিয়ম’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।  দেশ স্বাধীনের আগে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য ছিল এর প্রকৃষ্ট উদাহরণÑএমন মত রুশ অর্থনীতিবিদ এসএস বারানভের। তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকায় এসে ছয় মাস তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অনেক জেলায় ঘুরেছিলেন। তার তীক্ষè পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা থেকে পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের অর্থনৈতিক বিকাশ ও বৈষম্যের মূল্যবান চিত্র বেরিয়ে এসেছিল। কালক্রমে সেই চিত্র আজ বাংলাদেশের আঞ্চলিক বৈষম্যের মডেলের সঙ্গে খাপ খায়। বিশেষ করে পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নের অসঙ্গতি অনেকটাই এর প্রতিরূপ। এ কথা আজ অস্বীকার করার উপায় নেই যে এবং অত্যন্ত স্পষ্ট যে-‘আঞ্চলিক বৈষম্যে’ বাংলাদেশ বিভক্ত। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে শুরু করে সরকারের পরিকল্পনা কমিশনও বিষয়টি নজরে এনেছে। আঞ্চলিক বৈষম্যের এ বৃদ্ধি জাতীয়ভাবে দারিদ্র্য বিমোচন পরিকল্পনা ও কর্মসূচির এক গভীর গলদ হিসেবে হাজির হয়েছে। দারিদ্র্যের আঞ্চলিক বিবেচনায় বাংলাদেশ স্পষ্টতই দুটি অংশে ভাগ হয়ে পড়েছে। দেশের ভৌগোলিকতার অনেক মানচিত্র আমরা দেখতে পাই। তবে এ মানচিত্র সত্যই অসহনীয় ও দুর্ভাগ্যজনক। সাম্প্রদায়িকতার যেসব ভয়াল প্রতীক রয়েছে তার মধ্যে আঞ্চলিকতা অন্যতম। বৈষম্যের বৃদ্ধি স্পষ্ট করেছে যে, বিগত সরকারগুলোর অনেক পদক্ষেপই ভারসাম্যপূর্ণ ছিল না এবং এটা স্পষ্ট হয়েছে যে পূর্বাঞ্চল রয়েছে অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে। আর তা ঘটেছে অপরাপর অঞ্চলকে বঞ্চিত করার মাধ্যমে। একদিকে সরকারি আনুকূল্যের ঢল, অপরদিকে লাগাতার উপেক্ষা- এ এক দুঃখজনক বাস্তবতা। ২০০৩-০৪ সাল থেকে ক্রমাগত সিলেট অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় তহবিল ও উন্নয়ন প্রকল্প চলে যাওয়া তারই প্রমাণ। উন্নত ও পশ্চাৎপদ এলাকার বৈষম্য ১৫-২০ শতাংশ হওয়ার জন্য নিঃসন্দেহে নীতিনির্ধারকদের চরম পক্ষপাতিত্ব ও অবহেলাই দায়ী। এধারা চলতে থাকলে তা যে গভীর সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিরোধের জন্ম দেবে, এটা নিশ্চিত।
মো. ইফতেখার রহমান
শিক্ষক, বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, নওগাঁ

প্রতিকার মিলবে কবে?
দেড় মাসে পরপর রাজধানীর ৩টি মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের ধর্মীয় স্পর্শকাতর স্থানে চুরির ঘটনায় রীতিমতো উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। রাজধানীর লালবাগের ঢাকেশ্বরী মন্দির, রাজারবাগ কালীমন্দির ও সূত্রাপুর জয়কালী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি লালবাগের ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ সোয়া কোটি টাকা চুরির ঘটনাটি নগরীর সাধারণ মানুষের মনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পর পর তিনটি মন্দিরে চুরির ঘটনা সত্যিকার অর্থেই রহস্যময় এবং আশংকার কারণও বটে যা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নে অসাম্প্রাদায়িক সোনার বাংলাদেশ গঠনের ক্ষেত্রে অন্যতম অন্তরায়। একটি দেশের সরকার হলো ঐ দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। সন্ত্রাসী বা অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন রাষ্ট্রের চেয়ে বেশি শক্তিশালী নয় কোনোক্রমেই। কাজেই সরকারের আন্তরিক ও যথাযথ চেষ্টা-সদিচ্ছা থাকলে অপরাধীকে গ্রেফতার করে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। অপরাধী যে-ই হোক না কেন তার দ্রুত শাস্তি প্রদান আমাদের কাম্য। সেই সঙ্গে সঙ্গে দেশের সব মন্দিরসহ উপাসনালয়গুলোতে পাহারা জোরদার করে আতঙ্কিত সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়কে যথাশিগগিরই আশ্বস্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে। 
সুব্রত ঘোষ
আহ্বায়ক, ডক্টরস্ এন্ড মেডিকেল স্টুডেন্টস্ ফোরাম, সাতক্ষীরা


আয়কর মুক্ত রাখা হোক
গ্রামীণ ব্যাংক এনজিও নয় যেমনি, তেমনি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যাংকও নয়। গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে টিটি, ডিডি, এলসি, কিংবা ব্যাংক টু ব্যাংক টাকা কালেকশানের প্রক্রিয়া না থাকায় অন্য কোনো ব্যাংকই গ্রামীণ ব্যাংকের চেক এখনও গ্রহণ করে না। গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা রাজধানীর গুলশান বা বনানীতে নেই। শহর কেন্দ্রিক কোন শাখা না থাকায় কোটি টাকার মালিক কোনো গ্রাহকও গ্রামীণ ব্যাংকের নেই। গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহকরা সবাই ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতা নয়, তবে অধিকাংশ গ্রাহকই দরিদ্র, সাধারণ মধ্যবিত্ত ও এদের সবাই গ্রামের। বলতে গেলে গ্রামের হতদরিদ্রদের ব্যাংকই হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম। একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে তার প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের কি তার মাসুল দিতে হবে? গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহকর তো কোনো অনিয়ম বা তছরুপ করেনি। গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহকরা গত ২২ বছর ধরে আয়কর সুবিধা পেয়ে আসছে। সরকারের এই সুবিধা তো ভোগ করছে দরিদ্র লোকেরাই। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ব্যাংক হিসেবে সরকার বিশেষ বিবেচনায় গ্রামীণ ব্যাংককে আয়কর মুক্ত রাখবে। যার মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সঞ্চয় রাখলে সুদে-আসলে ঠিকঠাক টাকাটা ফেরত পাবার আশা তা আগের মতোই অটুট থাকবে।
আ হ ম ফয়সল
তালুকদার বাড়ি, আরসি রোড
আলেকজান্ডার, রামগতি, লক্ষ্মীপুর

ভালোবাসা সংখ্যার পর...
২০১০ সাল। ফেব্র“য়ারি মাসের কথা। বাসা থেকে বের হয়ে হাঁটছি
রাস্তার ধারে মার্কেটে যাব। গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি। দেখি পাশে এক হকার কিছু ম্যাগাজিন ও পত্রিকা বিক্রি করছে। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পত্রিকা দেখছে, বিভিন্ন পত্রিকার শিরোনাম। হঠাৎ চোখে পড়ল চিঠি, ‘প্রেমে অভিজ্ঞতায়’ শিরোনামের ভালোবাসা সংখ্যার একটি ম্যাগাজিন বই। নাম সাপ্তাহিক। ২০ টাকা দিয়ে নিলাম, পড়লাম। পড়ে বইটির প্রতি অন্য রকম এক ভালোবাসা জাগলো। এত সুন্দর একটি ম্যাগাজিন ভালোবাসা দিবসে পাঠকদের উপহার দেয়ার জন্য সাপ্তাহিককে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ যারা লিখেছেন সেই ভালোবাসা সংখ্যায় তাদেরকেও। এবং সামনে ভালোবাসা সংখ্যায় লেখার জন্য আমি পাঠক হয়ে দেশের অচেনা, অদেখা লেখক ও পাঠক ভাইদের উৎসাহ জানাই। সাপ্তাহিক, সেই ভালোবাসা সংখ্যার পর থেকে সাপ্তাহিক-এর নিয়মিত পাঠক আমি। প্রতিটি সংখ্যাই আমার পড়া। সর্বশেষ সংখ্যাটি রাজনীতিতে অনাস্থা বাড়ছে। সাপ্তাহিক বইটি পাওয়ার জন্য আমার এমনো সপ্তাহ কাটছে, প্রতিটি দিন গুনে গুনে। আসলে মানুষের কিছু কিছু ইচ্ছা, অনুভূতি, আশা যখন জেগে ওঠে তখন দুর্দমনীয়। সেই এক বছর পূর্বে থেকে এখনো পর্যন্ত অপেক্ষায় ভালোবাসার সংখ্যায় লেখার জন্য। হয়তো আমার মতো আরো অনেকে? আশা করি সাপ্তাহিক আমাদের পাঠকদের কথা ভাববে এবং ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে পাঠকদের লেখা নিয়ে বিশেষ আয়োজন করবে এই আমাদের  প্রত্যাশা। আর যে পত্রিকা, টিভি চ্যানেল, ম্যাগাজিন, দেশের কথা বলবে, জনগণের কথা বলবে, পাঠকের কথা বলবে, তার জনপ্রিয়তা থাকবেও বেশি। এই মুহূর্তে সাপ্তাহিক তেমনই জনপ্রিয় একটি ম্যাগাজিন। যেখানে থাকে জনগণের কথা, পাঠকের কথা, আছে চারপাশ দৃষ্টিপাত, আত্মজীবনী, ইতিহাস বিষয়ক অজানা সব প্রতিবেদন। সমাজ রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সম্ভাবনা বিষয়ক বিভাগ ডাকবন্ধু। আমরা সাপ্তাহিক-এর দীর্ঘায়ায়ু কামনা করি।
মহিউদ্দিন নীল
পাছাজিও ফুড, ৫১২, কাতালগঞ্জ রোড, চকবাজার, চট্টগ্রাম

ঢাবিতে সড়ক দুর্ঘটনা 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ইতিহাস অপঘাতের রক্তে বীভৎস অবয়ব ধারণ করেছে। নবেম্বর মাসে জগন্নাথ হলের সামনে চলন্ত গাড়ির আঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হয় জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থী সাধন কুমার। ২০০৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হ্যাপি এবং ২০০৬ সালে মোবারক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করার পর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গণদাবিতে পরিণত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যথারীতি গড়িমসি করে দিনাতিপাত করছিল। ক্যাম্পাসে এর পূর্বেও আরো পাঁচজন শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়। ক্যাম্পাসে একই কারণে একজন শিক্ষকের স্ত্রী এবং রোকেয়া হলের একজন কর্মচারীর মৃত্যুর পর প্রশাসন কিছু পরিকল্পনার কথা শোনালেও আদতে কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি। সড়ক দুর্ঘটনায় সাধনের আহত হওয়ার ঘটনায় প্রমাণিত হলো ক্যাম্পাসে শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থী কারো জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই। প্রশাসন কখনো এই ব্যাপারে কর্ণপাত করেনি। প্রতিদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারী।
হাসান তৌফিক ইমাম
শিক্ষার্থী, আইইআর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

কঠোর আইন প্রয়োজন
মাত্র কিছুদিন আগে বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ হলো। দেশের মানুষ যে কীরকম উন্মাদে মেতে উঠেছিল অন্য দেশের পতাকা উত্তোলনে তার সংবাদ সকল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ জেনেছে। নিজের দেশ, অস্তিত্ব ভুলে ভিন দেশের পতাকা টানাতে গিয়ে দু’একজন মানুষ মারা যাওয়ার সংবাদও চমক সৃষ্টি করেছে বিশ্বকাপ চলাকালে। কেউ কেউ পতাকা অর্থ সংগ্রহ করতে জমি বন্ধক দিয়েছে আর নিজের দল হেরে গেছে বলে গাড়ি ভাঙচুর, হাতাহাতিসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক কার্যক্রমেও যুক্ত হয়েছে। ভিনদেশি পতাকা উত্তোলনে আমাদের দেশের সংবিধানসহ আইনে কোনো নিয়মনীতি আছে কিনা জানতে গিয়ে হতাশ হতে হয়েছে। কোথাও এ বিষয়ে কোনো বাধাধরা নিয়ম নেই! অর্থাৎ যে ইচ্ছা সেই যে দেশের ইচ্ছা সে দেশের পতাকা বিনা বাধায় এই ভূখণ্ডে উত্তোলন করতে পারবে। আর যে দেশে বিনা বাধায় এ কাজ করা যায় সে দেশের স্বাধীনতার নিরাপত্তা কতটুকু তা নতুন করে ভাববার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন। কত সরকার আসে, কত আইনের বদল হয়, মাঝে মাঝে সুবিধামতো নতুন আইনের সৃষ্টিও হয়। কিন্তু এ বিষয়ে বিজ্ঞজনের উদাসীনতা বেশ হাস্যকরই ঠেকে। যারা লম্বা লম্বা গজ কাপড়ে ভিনদেশি পতাকা উত্তোলনে কোনো প্রকার লজ্জাবোধ করে না তারা কোনোদিন, কোনো কালে এদেশের একটি নিম্ন আকারের পতাকাও এমন উৎসাহের সঙ্গে উত্তোলন করেছে কিনা সন্দেহের বিষয়। দেশের মানুষকে জোর করে জাতীয়তাবাদে উৎসাহী করা যায় না। আবার সম্মিলিত আন্তরিকতা ও দেশপ্রেম না থাকলে দেশ এগিয়েও যেতে পারে না। সামনে আবার বিশ্বকাপ আসছে। জাতির এসব স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে।
আহ্মেদ ফয়েজ
১৯/৫০ রূপনগর আবাসিক এলাকা, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬

এ সংখ্যার নির্বাচিত চিঠি
মো. ইফতেখার রহমান
শিক্ষক, বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, নওগাঁ
ইফতেখার, আপনার বিস্তারিত ঠিকানা জানাতে যোগাযোগ করুন
০১৮১৮২৩৮৩২০

Print
©2009. All rights reserved.