Logo
 বর্ষ ৩ সংখ্যা ৯ ১লা শ্রাবণ, ১৪১৭ ১৪ জুলাই, ২০১০ 
আপনি এখন পুরোনো সংখ্যায় আছেন ! তারিখ : ১৪ জুলাই, ২০১০
প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
এই সময়/রাজনীতি
ডায়রি/ধারাবাহিক
স্বাস্থ্য
খেলা
প্রতিবেদন
সাহিত্য সংস্কৃতি
বিশ্লেষন
সাক্ষাৎকার
প্রবাসে
দেশজুড়ে
অনুষ্ঠান
ফিচার ও অন্যান্য
নিয়মিত বিভাগ
 
iforning
জামায়াতের আন্দোলন : সম্পদই বড় বাধা -গোলাম মোর্তোজা  

গোলাম মোর্তোজা

স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াতকে আর কখনো এতটা বিপদে পড়তে হয়নি। অন্যভাবে বলা যায় সব সময় তারা সুবিধা পেয়েছে। বিশেষ করে সরকারি প্রশাসনের। এই সুবিধা নিয়েই বেড়ে উঠেছে জামায়াত।
জামায়াতের বেড়ে ওঠা, সাংগঠনিক দক্ষতাকে অনেকেই সমীহের চোখে দেখেন। এই সমীহের আর একটি বড় কারণ জামায়াত বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদের মালিক। টাকার অঙ্কে জামায়াত ঠিক কত হাজার কোটি টাকার মালিক, তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে ব্যাংক, বীমা, ক্লিনিকসহ জামায়াতের দৃশ্যমান সম্পদের পরিমাণই বিপুল। অদৃশ্য সম্পদও তাদের রয়েছে বলে জানা যায়। মধ্যপ্রাচ্যসহ আরো কয়েকটি দেশে থাকা জামায়াতের সম্পদের পরিমাণও কম নয়।
গরিব দেশের ধনী একটি রাজনৈতিক দল জামায়াত!
সেই জামায়াতের অবস্থা এখন করুণ। বড় নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুরু হয়ে গেছে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া। যা তারা করেছিল ’৭১-এ।

২.
এই জামায়াত নেতারা সবসময় জোর গলায় বলে এসেছে তারা যুদ্ধাপরাধ করেনি। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাবে না। এই কথাগুলো বলতে গিয়ে তারা ভয়ঙ্কর রকমের দাম্ভিকতার পরিচয় দিয়েছে বিভিন্ন সময়। মুক্তিযুদ্ধকে তারা বলেছে ‘গৃহযুদ্ধ’, ‘দেশে কোনো যুদ্ধাপরাধী নেই’, ‘মুক্তিযুদ্ধ নয়, ভারতে গিয়েছে সুন্দরী নারীর লোভে’ ইত্যাদি অরুচিকর এবং দাম্ভিকতাপূর্ণ বক্তব্য তারা ইতোপূর্বে দিয়েছে। এবং তারা বোঝাতে চেয়েছে বাংলাদেশের কোনো সরকারের ক্ষমতা নেই তাদের বিচার করার, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার। সৌদি আরব, পাকিস্তান, আমেরিকা তাদের পক্ষে, আকারে-ইঙ্গিতে সব সময়ই তারা এমনটা বোঝাতে চেয়েছে। বলেছে, জামায়াতের গায়ে কেউ টোকা দিতে পারবে না। এমন কিছু করা হলে দেশ অচল করে দেয়া হবেÑ ইত্যাদি।
জামায়াতের গায়ে টোকা দেয়া শুরু হয়েছে, নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু মাঠে জামায়াতের সাড়াশব্দ নেই বললেই চলে। দেশ অচল করে দেয়া তো দূরের কথা, পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে একটি মিছিল পর্যন্ত তারা করতে পারছে না। সাংগঠনিক শক্তির কোনো প্রমাণ দেখা যাচ্ছে না জামায়াতের রাজনীতিতে। এত শক্তিশালী হিসেবে প্রচার করা শিবিরকে এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি কঠোর নীতির কারণে অধিকাংশ শিবির নেতা-ক্যাডার পলাতক। পলাতক জামায়াতেরও কোনো কোনো নেতা। আরো অনেক জামায়াত-শিবির নেতা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হবেন, এটাও নিশ্চিত। জামায়াত ঘরোয়া সভা করে এর বিরুদ্ধে মৃদু প্রতিবাদ করছে। পূর্বের হুমকি-দাম্ভিকতার সঙ্গে যার কোনো সামঞ্জস্য নেই।
এর কারণ কী? জামায়াত-শিবির কেন এতটা নমনীয়? এটা কি তাদের রাজনৈতিক কৌশল না অক্ষমতা? এসব প্রশ্নের উত্তরের জন্য একটু পেছনে ফিরতে হবে।
’৭১-এর অপকর্মের কারণে গোলাম আযম, নিজামী, মুজাহিদদের বাংলাদেশের মানুষ শুধু অপছন্দ করে না, ঘৃণা করে। ধর্ম নিয়ে তারা ব্যবসা করছে সেটা বুঝে গেছে দেশের মানুষ। এত প্রতিকূল অবস্থায় জামায়াতের জন্য দেশে রাজনীতি করা শুধু কঠিন নয়, প্রায় অসম্ভব। এ কারণেই জামায়াত রাজনীতির চেয়ে ব্যবসার দিকে বেশি মনোযোগী হয়েছে। গরিব মানুষের কথা বলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে অর্থ এনেছে। সেটা দিয়ে ব্যবসা করে তারা অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছে। তাদের এই অর্থ-সম্পদের মালিক হওয়ার পেছনে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-ও একটি ভূমিকা রেখেছে।
জামায়াতের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক কিছুসংখ্যক নেতা। তারা হঠাৎ করে শিল্পপতি হয়ে গেছে। জীবনযাপন বদলে গেছে। অন্য রাজনৈতিক নেতাদের মতো তারা কোটি টাকা দামের গাড়িতে চড়ে। বিলাসী জীবনযাপন করে। শিবিরসহ অধিকাংশ কর্মীকে তারা দলে টেনেছে অর্থের লোভ দেখিয়ে। বিষয়টি এমন যে জামায়াত বা শিবিরের সদস্য হলে তার ‘চাকরি’ নিশ্চিত। আদর্শ বা ধর্ম নয়। জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা দলে এসেছে অর্থনৈতিক লাভের আশায়। 
অর্থনৈতিক লোভে যে দলে এসেছিল, বিপদের দিনে সে হয় গা-ঢাকা দিয়েছে অথবা চুপচাপ আছে। রাস্তায় নেমে আন্দোলন করার জন্য যে আদর্শিক শক্তি প্রয়োজন হয়, তা তার নেই। জামায়াতের আদর্শকে তো সে কখনো বিশ্বাসই করেনি। সে কেন রাস্তায় নেমে পুলিশের মার খাবে, জীবন দেবে?
এ তো গেল কর্মীদের কথা। নেতাদের অবস্থা কী? নেতারা যারা বিত্তবান হয়েছেন তারা কী করছেন?
তারা এখন যে জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন, সেখান থেকে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তারা এখন ব্যস্ত অর্জিত সম্পদ টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে। এর জন্য যাকে যেভাবে হাত করা দরকার, তাকে সেভাবেই হাত করছেন, করার চেষ্টা করছেন। এর জন্য তারা এখন অনেক অর্থ-সম্পদ ব্যয় করছেন। উপরের দিকের কয়েক নেতার জেল-ফাঁসি যাই হোক না কেন, এটা নিয়ে তারা খুব একটা চিন্তিত নয়। উল্টো এদের জেল-ফাঁসির মধ্য দিয়ে যদি তাদের অর্থ-সম্পদ রক্ষা পায় তাতেই তারা খুশি।

৩.
জামায়াত সব সময়ই ‘ভুল’ রাজনীতি করে এসেছে। প্রশাসনের সহযোগিতায় তারা নিজেদের   শক্তিশালী  ভেবেছে।  সিভিল,  সামরিক আমলাতন্ত্রে নিজেদের ক্যাডার তৈরি করতে চেয়েছে। পেরেছিলও অনেকটা। কিন্তু ১/১১-এর পর সেটাও ব্যর্থ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে যাদের তৈরি করা হয়েছিল তাদের প্রায় সবাই এখন চাকরিচ্যুত। বিশেষ করে উপরের দিকে যারা ছিল। এই আমলাতন্ত্রের দাপটে বিএনপিকেও তারা বিভিন্ন সময়ে কোণঠাসা করে রাখতে চেয়েছে। বিশেষ করে ১/১১-এর সময়ে জামায়াতের দাপট ছিল দেখার মতো। প্রকাশ্যে তারা বিএনপির সমালোচনা করেছে। বলেছে, বিএনপির দুর্নীতির দায় জামায়াত নেবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় যখন সব রাজনৈতিক নেতাদের করুণ অবস্থা, তখনো জামায়াত বিচরণ করেছে দাপটের সঙ্গে। সেই সময় তারা চূড়ান্তভাবে সরকারি প্লট বুঝে নিয়েছে, বনানী-উত্তরায় বাড়ি করেছে নিজামী-মুজাহিদ। সেই প্লট নেয়ার ক্ষেত্রেও তারা অনিয়ম করেছে। বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলে যে প্রশাসনে তাদের সমর্থনও থাকবে না, এটা তারা একবারও হিসেব করেনি। মনে করেছে বিএনপির চেয়ে তারা শক্তিশালী হয়ে গেছে।
বদলে যাওয়া বিশ্ব প্রেক্ষাপটও জামায়াত মাথায় রাখেনি। যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা এখন যে সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর পক্ষে সম্ভব নয়, সেটা জামায়াত হিসেবে রাখেনি। যুদ্ধাপরাধ, জঙ্গিবাদ ইস্যুতে আমেরিকার অবস্থান যে তাদের বিপক্ষে চলে যাবে, এটাও জামায়াত বুঝতে পারেনি। ভারত যেভাবে চাইবে আমেরিকা যে সেভাবেই এই অঞ্চলে কাজ করবে, এই মেরুকরণও জামায়াত বুঝে উঠতে পারেনি। পাকিস্তান নয়, ভারত যে এই অঞ্চলের রাজনীতি-অর্থনীতি-সামরিক নীতির চালকের আসনে থাকবে, এটা বুঝতে না পারাটাও জামায়াতের করুণ অবস্থার অন্যতম কারণ।

৪.
অর্থ-সম্পদ তাদেরকে ভুল পথে পরিচালিত করেছে। তাদের এই অর্থ-সম্পদের পাহাড় গড়াটাও আর একবার ‘ভুল’ হিসেবে প্রমাণ হলো। অর্থ-সম্পদ নয়, রাজনীতির প্রধান শক্তি জনসমর্থন। জামায়াত কখনো জনগণের কাছে যেতে পারেনি। জনগণ তাদেরকে বিশ্বাস করতে পারেনি, আস্থা রাখতে পারেনি তাদের ওপর। তারা জনগণকে ‘লোভ’ দেখিয়ে দলে টানতে চেয়েছে। যারা এসেছে ‘লোভে’ এসেছে, আদর্শ বিশ্বাস করে আসেনি। তাই এখন মিছিল করার কর্মী-ক্যাডারও তাদের নেই। সম্পদ মানুষকে বিপ্লবী, সংগ্রামী করে না। মানুষকে আপোসকামী করে। আর জামায়াতের সম্পদের মালিক তো তাদের নেতারাই। সেই নেতারা এখন ‘আপোস’ করছেন।
দৃশ্যমান এত সম্পদ রেখে আন্দোলনে গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া, তাদের দুর্বল করা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ। সম্পদ অর্জন করার জন্য যে অপকর্ম করেছে তার জন্য রাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে সহজেই ব্যবস্থা নিতে পারে। সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার অধিকার তো রাষ্ট্রের হাতে সবসময় থাকেই। অর্থ-সম্পদের মালিক জামায়াত নেতারা অর্জিত সম্পদ হাতছাড়া হতে পারেÑ কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছেন না।
নেতাদের মুক্তির দাবিতে লোক দেখানো কিছু কর্মসূচি তারা নেবেন, নেয়ার চেষ্টা করবেন। অর্থের বিনিময়ে কিছু নাশকতাও হয়ত করাতে চাইবেন কোনো কোনো জামায়াত নেতা। তবে বর্তমানে যারা জামায়াত পরিচালনা করছেন, অর্থ-সম্পদের মালিক এই মীর কাশেম আলীরা সরকারকে বেশি বিরক্ত করতে চাইবেন না। সরকারের বিরাগভাজন হতে চাইবেন না। ম্যানেজ করতে চাইবেন কর্তাব্যক্তিদের কাউকে কাউকে। পারবেনও হয়ত কিছুটা। এই ‘ম্যানেজ’ করতে পারবেন বলেই জামায়াতের বিপদ এক সময় কেটেও যাবে। যদি আমাদের প্রগতিশীল রাজনীতিকদের কাউকে কাউকে ম্যানেজ করতে না পারত, তবে এই ধাক্কায় ধ্বংস হয়ে যেত জামায়াত।
জামায়াতের অস্তিত্ব টিকে থাকলেও বড় কোনো শক্তি হয়ে উঠতে পারবে না। তার এই অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যও প্রয়োজন হবে বিএনপির সহযোগিতা। অতীতের মতো বিএনপি যদি জামায়াতকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়, তবে জামায়াত বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে।
অর্জিত অর্থ-সম্পদ জামায়াতের রাজনীতিতে কোনো উপকারে লাগবে না। দলীয় সম্পদ ভোগ করবে কিছু সংখ্যক নেতা। এই নেতাদের কেউ কেউ জামায়াতের রাজনীতি থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে চাইবে। কেউ কেউ নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকবে। ভাঙ্গনও দেখা দিতে পারে দলে। পরস্পর সন্দেহ, কোন্দল বাড়বে। আদর্শহীন রাজনীতি, ধর্ম ব্যবসা মুখ থুবড়ে পড়বে। সম্পদের কারণেই বড় কোনো রাজনৈতিক আন্দোলনে যেতে পারবে না জামায়াত।  ৪ দলীয় জোট যদি বড় কোনো আন্দোলন গড়ে তোলে, তবে বুঝতে হবে সেই আন্দোলনের প্রধান শক্তি বিএনপি, জামায়াত নয়। বড় আন্দোলন, সংগ্রাম করার শক্তি, সামর্থ্য, ক্ষমতা কোনোটাই নেই জামায়াতের। অর্থ-সম্পদের কারণেই তারা সেটা হারিয়েছে।

Bookmark and Share প্রিন্ট প্রিভিও | পিছনে 
এই সময়/রাজনীতি
  • একজন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এবং কতিপয় অন্ধকারের কীট -গোলাম মোর্তোজা
  • [তির্যক] আবারো মানুষ গায়েব
  •  মতামত সমূহ
    Author : রূপ সনাতন
    প্রিয় মোর্তোজা সাহেবঃ আপনি স্বাধিনতার স্বপক্ষের লোক...হতেই পারেন...অসাম্প্রদায়িক ও হতেই পারেন...জামা''তকে আপনি সমর্থন করেন না তা'ও স্বাভাবিক...কিন্তু যা সঠিক নয় তা হচ্ছে আপনার বিশ্লেষণ। জামা'ত তার শক্তি আপদকালিন সময়ের জন্য সংরক্ষণ করছে। এট তার স্ট্র্যাটেজি দুর্বলতা নয়। জামা'ত ১৯৭১-এ যা করেছে তা সবাই জানে।আর তা নিয়ে রাজনীতি বা ব্ল্যাকমেইল দু'দলই করে। যদি বিচার হয়'ই (আমি যদিও সন্দিহান) তবে ক'জনের ফাঁসি হবে?জাম'ত শেষ হয়ে যাবে? ৭১ থেকে জামা'ত বেরিয়ে আসতে পারলে ২০১১বা ২০২১ থেকেও পারবে। তবে মজার ব্যপার কি জানেন, ২০১৪-এর আওয়ামী লীগই তার ধ্বস ঠেকাতে জামা'তের সাথে নতুন সমীকরণে যাবে। সবিষ্ময়ে দেখবেন নতুন জামা'ত। যারা প্রকাশ্যে '৭১-এর ঘটনার নিন্দা করছে এবং ময়দানে মাটি ফুঁড়ে তাদর কর্মীরা বেরিয়ে আসছে একদিন দেখবেন ২০১০-এ যেভাবে আওয়ামী লীগের দুর্নীতির মামলা যেভাবে বাতিল হচ্ছে সেই একই ভাবে একে একে সব মামলা বাতিল হচ্ছে। বিচার বিভাগে আজ আর একে এম মোর্শেদও নেই বি এ সিদ্দিকিও নেই। কিছু ভরসা ফজলুল করিম...লাফংঙ্গা মস্তানদের শপথ পড়াবার ব্যপারে মাথা নোয়ায়নি
    Author : shaifu islan
    Shaptahik jindabad jamat shibir rajakar nipat jak
    Author : shaifu islan
    Shaptahik jindabad jamat shibir rajakar nipat jak
    Author : Sabrina
    Golam Mortoza jamatider opokormo niea ro likhun...oder voy paoyar kono karon nai... 71 er moto ora abar porajito hobe... Oposhokti tike thake na... Jamat o tike thakbe na,manush oder ghena kore
    Author : Rasel
    Jai bolen na keno BNP chara jamater kono upay nai...eakikvabe jamat zero...
    Author : TrueInfo
    সরকার এবং মুর্তজা সাহেবরা জামায়াতকে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে যাতে জামায়াত সহিংসাতে জড়িয়ে পড়ে। এটা সরকারের পাতা ফাঁদ। এই ফাঁদে জামায়াত পড়বে না। যে কোন আদর্শিক আন্দোলনের ভাল সময় খারাপ সময় দুটোই আসতে পারে। তাই জামায়াত এই অবস্থাও কাঠিয়ে উঠতে পারবে। সরকারের আরো সাড়ে ৩ বছর আছে। তাই অনেক কিছু হিসাব নিকাশ করেই রাজনিতিক আন্দোলন করতে হবে।
    Author : Jibon
    ei goru ,varoter kache surrender korar bapar na,Bisho rajniti j bodle geche seta bojhar bapar.usa'r kache ekhon guruttopurno varot,pakistan na.r jamat ekhono ache pakishtaner pecgone...
    Author : Nasirullah Mridha,USA
    war crime trial or crime against humanity whatever you mention AL government trying to detach BNP from JAMAT.both AL & BNP cajoled JAMAT during their old worst days.i don't think JAMAT top-notch leaders who are in jail and awaiting to face several trials will be in jail long time.After AL departure they would be boast their mighty it's my conjecture.because their gargantuan wealth will be invest for their release under any circumstances."every cloud has a silver lining"this adage JAMAT believe wholeheartedly.So Mr.Mortaza don't schadenfreude at Jamat miseries.they are waiting for shiny fresh dawn.be advised i am personally hate all political parties those who couldn't yield any positive things after independence of 40 years.All leaders thinking about their personal gains not for ordinary peoples.MORTAZA only mentioned Nizami-Mujahid palatial house in affluent area.I hope your next edition you will be expose AL/BNP leaders how many crores earn their previous rule by manipulation or graft to compare JAMAT.we want to see ratio of anomaly JAMAT versus AL/BNP.Shaptahik editor you should explain everything in an unbiased way.sorry readers and Shaptahik to take your time and space.
    Author : monir
    Jamat er oboshta j asolei kharap ta tader ei kormider montobbo theke porishkar bojha jacche.Golam Mortoza ja likheche ta shothik.Mortoza ke galagali kore lav nai,se sotti kotha bolbei.jamatira tow take kafoner kapor pathiea humki dieache barbar...Golam Mortoza & Shaptahik dirghojibi hook,jamat rajakar nipat jak
    Author : রামিন
    "ভারত যেভাবে চাইবে আমেরিকা যে সেভাবেই এই অঞ্চলে কাজ করবে" তাহলে কি আমাদের সবাইকে ভারতের কাছে surrender করেই মুক্তির পথ নির্শ্চিত করতে হবে? এটা কি মুর্তজা সাহেবের পরাজিত মানসিকতা নাকি ভারতের এদেশীয় এজেন্ট হিসাবে তার কর্তব্য কাজ করার বহিঃপ্রকাশ?
    Author : Kala Pahar
    Hey Moron, Jamat is much smarter than what you think. Jamat is not going to lose its workers due to provokation. See the history of JASOD and SARBOHARA parties. Where are they now? Did their revolutionary sprite helped? Awami League is India's agent. People will torn them down soon.
    Author : Shiekh Shena
    You are a compulsive lair. You call it journalism. yes.... you can only do that in Bangladesh. Please come out of your parochial mentality and take the country forward by your constructive writings... if you think you can, Which i doubt very much.
    Author : mortozarbab
    This is called yellow journalism. Your entire report is concocted, fabricated and trumped up. Jammat workers do not get anything from Jamaat rather they pay to jamaat so that jamaat can continue its activities. I know your purpose is to provoke jamaat-shibir workers and activists so that they come out on the street and protest and your puppet government (Hasina is just doing what india is asking her to do)can charge them for violating law and order and link them with JMB. Jamaat-shibbir leaders and activists are smarter than what you think. Time will tell you that. Just Wait.....
    Author : Palash
    সম্পদ মানুষকে বিপ্লবী, সংগ্রামী করে না। মানুষকে আপোসকামী করে।
    পিছনে 
     আপনার মতামত লিখুন
    English বাংলা
    নাম:
    ই-মেইল:
    মন্তব্য :
    বর্তমান সংথ্যা
    পুরানো সংথ্যা
    Click to see Archive
     
     
     
    Home | About Us | Advertisement | Feedback | Contact Us | Archive