|
গত ৮ ফেব্রুয়ারির ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতারের জন্য ৫৪ শিবির ক্যাডারের একটি তালিকা তৈরি করেছে। তালিকার প্রথম নামটি হলো রাবি শাখা শিবির সভাপতি শামসুল আলম গোলাপের। বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামে। রাবি শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেনের নাম রয়েছে দুই নম্বরে। বাড়ি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বালিনা গ্রামে। তালিকার বাকি ৫২ ক্যাডারের মধ্যে রাজশাহীর শিবির ক্যাডার আছে মাত্র ৩ জন। এরা হচ্ছে রাজশাহীর পবা উপজেলার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সোহেল, বাঘারছাতারী গ্রামের রায়হান ওরফে আবু রায়হান ও রাকিবুল ইসলাম ওরফে রাকিব। এ ছাড়া ডাঁসমারীর দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার জাফর বাবুকেও পুলিশ খুঁজছে বলে জানা গেছে। কিন্তু রাজশাহীর শিবির ক্যাডার কি শুধু এরাই? বিগত ২৫ বছর ধরে যারা ধীরে ধীরে রাজশাহীকে একটি নরকে পরিণত করেছে তারা কি ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাবে? প্রতিবেদন করেছেন আনিস রায়হান
অধ্যাপক তাসনীম আলম খান : বর্তমানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা, প্রচার সম্পাদক। ইতোপূর্বে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ছিলেন। শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি। ১১ মার্চ, ১৯৮২-তে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ৩ বাস বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে এসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের ওপর পরিচালিত হামলার নেতৃত্বে তাকে দেখা যায়। লতিফুর রহমান : ’৮৮-তে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাসদ নেতা জালালকে তার নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যার সময় নেতৃত্বে ছিল পরবর্তীতে চারদলীয় জোটের পক্ষ থেকে জামায়াতের এমপি নির্বাচিত হওয়া তৎকালীন শিবিরের কুখ্যাত এই ক্যাডার। রফিকুল ইসলাম খান : বর্তমানে ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির। ইতোপূর্বে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি এবং পরবর্তীতে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি। ’৮৮ সালে জুলাইয়ের ১ম সপ্তাহে আরো প্রায় শতাধিক শিবির ক্যাডারের সঙ্গে রাবির আমির আলী হল ছাত্র সংসদের জিএস ও জাসদ ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সসহ ২০-২৫ জনের ওপর হামলার সময় এবং এর ক’দিন বাদেই ১৭ জুলাই ভোরে রাবির এস এম হলে ঢুকে জাসদ ছাত্রলীগের আইয়ুব আলী, বাদল এবং হল সংসদের ভিপি নওশাদের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার সময় তাকে হামলার পুরোভাগে দেখা যায়। প্রায় ৪ বছর বাদে আবার তাকে এ্যাকশনে দেখা যায় ’৯২-এর ১৭ মার্চে। রাবির ইতিহাসে ’৯২-এর এই হামলাই ছিল সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হামলা। শামসুল আলম : রফিকুল ইসলাম খানের সর্বক্ষণিক সঙ্গী। শিবিরের রাবি এলাকার প্রধান ক্যাডার। ’৮৮ সালে জুলাইয়ের ১ম সপ্তাহে রাবির আমির আলী হলে এবং ১৭ জুলাই রাবির এস এম হলে হামলার পুরোভাগে থাকা রফিকুল ইসলাম খানের পাশে তাকে দেখা যায়। এরপর ’৯২-এর ১৭ মার্চের হামলাতেও তাকে রফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গে দেখা যায়। মোজাম্মেল : শিবিরের বুধপাড়া এলাকার মেসগুলোর নিয়ন্ত্রক। শিবিরের তৎকালীন সাথী। বাসা রাবি সংলগ্ন বুধপাড়া এলাকায়। শিবির ক্যাডার হিসেবে তার ব্যাপক নাম ডাক ঐ এলাকায়। ১৯৯২ সালের আগস্টে তার বাড়িতে বোমা বানানোর সময়ই শিবির ক্যাডার আজিবরসহ অজ্ঞাতনামা অন্তত আরো তিনজন নিহত হয়। ঐ বিস্ফোরণে পুরো ঘর মাটির সঙ্গে মিশে যায় এবং টিনের চাল কয়েকশ গজ দূরে গাছের ডালে ঝুলতে দেখা যায়। পরবর্তীতে পুলিশ মহল্লার একটি ডোবা থেকে অনেকগুলো খ-িত হাত-পা উদ্ধার করে। যদিও শিবির আজিবর ছাড়া আর কারো মৃত্যুর কথা স্বীকার করেনি। পুলিশ বাদী হয়ে মতিহার থানায় শিবির ক্যাডার মোজাম্মেলকে প্রধান আসামি করে বিস্ফোরক ও হত্যা মামলা দায়ের করে। প্রায় ৫ বছর পলাতক থাকার পর মামলা ম্যানেজ করে মোজাম্মেল এলাকায় ফিরে আসে এবং জামায়াতের রাজনীতিতে পুনরায় সক্রিয় হয়। রাবিতে শিবিরের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে ১৯৯২-এর ১৯ জুনে জাসদ নেতা মুকিমকে হত্যার অভিযান পর্যন্ত সবগুলো হামলাতেই তাকে দেখা যায়। ১৯৮৮ সালের জুলাইয়ে দুই দফায়, ১৯৮৮ সালের আগস্টে, ১৯৮৯ সালের রমজান মাসে, ১৯৮৯ সালের নবেম্বরে এবং ১৯৯২ সালের ১৭ মার্চের হামলায় তাকে দেখা যায় সামনের সারিতে। রগ কাটা, বোমা বানানো এবং নিক্ষেপ করা, হাতের কব্জি কেটে নেয়া, ইফতারের দাওয়াত দিয়ে খুন করাসহ শিবির কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন পৈশাচিক কর্মকা-ের নায়ক এই মোজাম্মেল। সামাদ : রাবি সংলগ্ন বুধপাড়া এলাকার আলোচিত আরেক শিবির ক্যাডার। মেহেরচ-ী এলাকার মেসগুলোর নিয়ন্ত্রক। বর্তমানে জামায়াতের রোকন। জুলাই প্রথম সপ্তাহ, ১৯৮৮-তে রাবির আমির আলী হল ছাত্র সংসদের জিএস প্রিন্সসহ ২০-২৫ জনের ওপর হামলায়, ১৭ জুলাই, ১৯৮৮-তে ভোররাতে জাসদ ছাত্রলীগের আইয়ুব আলী, আহসানুল কবির বাদল এবং হল সংসদের ভিপি নওশাদের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার সময়, ১৭ মার্চ, ১৯৯২-তে পবিত্র রমজান মাসে চট্টগ্রামের কুখ্যাত সিরাজুস সালেহীন বাহিনীসহ কয়েক হাজার সশস্ত্র বহিরাগত শিবির সন্ত্রাসী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইতিহাসের ভয়াবহতম হামলাটির সময়, ১৯ জুন, ১৯৯২-তে জাসদের মিছিল চলাকালে শিবিরের সশস্ত্র হামলায় সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে জাসদ নেতা মুকিম মারাত্মক আহত হন এবং ২৪ জুন তিনি মারা যান। তার ওপর হামলার সময়, ৬ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৩-তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ছাত্রদল নেতা বিশ্বজিৎ, সাধারণ ছাত্র নতুন এবং ছাত্র ইউনিয়নের তপনসহ ৫ ছাত্রকে হত্যা করার সময়, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩-তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শেরেবাংলা হলে হামলা চালিয়ে ছাত্রমৈত্রী নেতা বিশ্ববিদ্যালয় টিমের মেধাবী ক্রিকেটার জুবায়েদ চৌধুরী রিমুকে হাত-পায়ের রগ কেটে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৪ সালে পরীক্ষা দিতে আসার পথে তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনের রাস্তায় ছাত্রমৈত্রী নেতা প্রদ্যুৎ রুদ্র চৈতীর হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৩ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৫-তে রাবির পার্শ্ববর্তী চৌদ্দপাই নামক স্থানে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকাল-সন্ধ্যা বাসে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচার্য রূপমকে বাসের মধ্যে যাত্রীদের সামনে হাত ও পায়ের রগ কাটার পর তাকে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জিয়া পরিষদ নেতা হাবিবুর রহমান আকন্দসহ প্রায় বিশজন শিক্ষকের বাসায় বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগ করার সময়, ১৯৯৭ সালে গভীর রাতে রাবি ক্যাম্পাসে এবং এরপর রাবি জিমনেসিয়াম পুলিশ ক্যাম্পে বোমা হামলা চালানোর সময় এবং ১৯৯৮ সালে শিক্ষক সমিতির মিটিং থেকে ফেরার পথে রাবি শহীদ মিনারের সামনে অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করার সময় তাকে দেখা যায় সামনের সারিতে। গিয়াস : রাজশাহী মহানগরের ২৮ নং ওয়ার্ড সাবেক কমিশনার। বর্তমানে জামায়াতের রোকন। জুলাই প্রথম সপ্তাহ, ১৯৮৮-তে রাবির আমির আলী হলে হামলার সময়, ১৭ জুলাই, ১৯৮৮-তে আইয়ুব আলী, বাদল ও নওশাদের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার সময়, ১৭ মার্চ, ১৯৯২-তে রাবির ইতিহাসের ভয়াবহতম হামলাটির সময় তাকে হামলার পুরোভাগে দেখা যায়। শাহীন : শিবিরের তৎকালীন সাথী। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর মসজিদ মিশন একাডেমির পাশের বাসাটি তার। শিবির ক্যাডার হিসেবে এলাকায় তার ব্যাপক নাম ডাক। রগ কাটা, বোমা বানানো এবং নিক্ষেপ করা, হাতের কব্জি কেটে নেয়া, ইফতারের দাওয়াত দিয়ে খুন করাসহ শিবির কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন পৈশাচিক কর্মকা-ে যুক্ত থাকার সুবাদে ঐ এলাকার অপরাধ জগতের অঘোষিত ‘বড় ভাই’ হিসেবে তার নাম ছড়িয়ে পড়েছে। জুলাই প্রথম সপ্তাহ, ১৯৮৮-র জুলাইয়ে দুই দফা হামলার সময়, ১৯৮৮ সালের আগস্টে রাবির অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের বাসভবনে ছাত্র শিবির কর্তৃক বোমা হামলার সময়, ১৯৮৯ সালের রমজান মাসে ছাত্র ইউনিয়নের রাবি শাখার সভাপতি গাজী গোলাম মোস্তফাকে বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী চকপাড়ায় ইফতারের দাওয়াত দিয়ে নিয়ে গিয়ে হাতের রগ কেটে দেয়ার সময়, ১৯৮৯ সালের নবেম্বরে রাবির নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সামনে সন্ধ্যায় ছাত্র শিবির কর্তৃক বোমা হামলার সময়, ১৭ মার্চ, ১৯৯২-তে রাবির ইতিহাসের ভয়াবহতম হামলাটির সময়, ১৯ জুন, ১৯৯২-তে মুকিমের ওপর হামলার সময়, ৬ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৩-তে রাবির ৫ ছাত্রকে হত্যা করার সময়, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩-তে শেরেবাংলা হলে ঢুকে জুবায়েদ চৌধুরী রিমুকে হত্যা করার সময়, ১৯৯৪ সালে ছাত্রমৈত্রী নেতা প্রদ্যুৎ রুদ্র চৈতীর হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৩ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৫-তে ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচার্য রূপমকে বাসের মধ্যে যাত্রীদের সামনে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৫ সালের জুলাইয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা ফরহাদের হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৯৯৭ সালে বিশজন শিক্ষকের বাসায় বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগ করার সময়, ১৯৯৮ সালে অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের ওপর সশস্ত্র হামলার সময় এবং ২০০১ সালে রাবি ছাত্রী হলে বহিরাগত অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত ছাত্রী বিক্ষোভে কমান্ডো হামলা চালিয়ে ছাত্রীদের লাঞ্ছিত ও আহত করার সময় তাকে হামলার নেতৃত্বসারিতে দেখা যায়। আজিবর : শিবিরের তৎকালীন সাথী। মিডিয়ার কল্যাণে ’৯২ সালে সারা দেশবাসীর কাছে তার নামটি পরিচিত হয়ে ওঠে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার, এত নাম ডাক সে কাজে লাগাতে পারেনি। কারণ, ১৯৯২ সালের আগস্টে আরেক শিবির ক্যাডার বুধপাড়ার মোজাম্মেলের বাড়িতে বোমা বানানোর সময় অজ্ঞাতনামা অন্তত আরো তিনজন শিবির ক্যাডারের সঙ্গে আজিবরও প্রাণ হারায়। ঐ বিস্ফোরণে পুরো ঘর মাটির সঙ্গে মিশে যায় এবং টিনের চাল কয়েকশ গজ দূরে গাছের ডালে ঝুলতে দেখা যায়। পরবর্তীতে পুলিশ মহল্লার একটি ডোবা থেকে অনেকগুলো খ-িত হাত-পা উদ্ধার করে। যদিও শিবির আজিবর ছাড়া আর কারো মৃত্যুর কথা স্বীকার করেনি। ১৯৮৮-র জুলাইয়ে দুই দফা হামলার সময়, ১৯৮৮ সালের আগস্টে অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের বাসভবনে বোমা হামলার সময়, ১৯৮৯ সালের রমজান মাসে ছাত্র ইউনিয়নের রাবি শাখার সভাপতি গাজী গোলাম মোস্তফার রগ কেটে দেয়ার সময়, ১৯৮৯ সালের নবেম্বরে বোমা হামলার সময়, ১৭ মার্চ, ১৯৯২-তে রাবির ইতিহাসের ভয়াবহতম হামলাটির সময় এবং ১৯ জুন, ১৯৯২-তে মুকিমের ওপর হামলার সময় সামনের সারিতে ছিল শিবিরের এই কুখ্যাত ক্যাডার আজিবর। নূরুল ইসলাম বুলবুল : শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি। বর্তমানে ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাবেক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির ক্যাডার। বর্তমানে পল্টনে বায়তুল খায়ের ভবনে প্রিন্টিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। জুলাই প্রথম সপ্তাহ, ১৯৮৮-তে রাবির আমির আলী হলে হামলায় এবং ১৭ মার্চ, ১৯৯২-তে রাবিতে হামলার সময় তাকে সামনের সারিতে থেকে হামলায় নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। জাফর বাবু : ডাঁসমারী এলাকার বাসিন্দা। শিবিরে যোগ দেয় ’৯১ সালে। ২০০৬ সাল থেকে সে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। কুখ্যাত শিবির ক্যাডার হিসেবে রাজশাহীজুড়ে তার নাম ডাক রয়েছে। মতিহার থানাসহ রাজশাহীর বিভিন্ন থানায় বিস্ফোরক, অস্ত্র, নারী নিপীড়ন ও অধ্যাপক ইউনুস হত্যা মামলাসহ অসংখ্য মামলার আসামি এই শীর্ষ শিবির ক্যাডার জাফর বাবু। ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবরে তাকে পুলিশ রাজশাহী শহরের কাটাখালি মিউনিসিপ্যালিটি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। এর আগেও সে একাধিকবার গ্রেফতার হলেও তাকে আটকে রাখা যায়নি। শিবিরের অন্য ক্যাডারদের এই জাফর বাবুই অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারির ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া শিবির ক্যাডাররা রিমান্ডে বলেছে যে ঐ রাতের হামলায় ছাত্রলীগকর্মী ফারুক হোসেন হত্যাসহ এসএম হলের রগ কাটা মিশনে জাফর বাবুই নেতৃত্ব দিয়েছে। এ ছাড়া ১৯৮৮ সালের আগস্টে রাবির অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের বাসভবনে ছাত্র শিবির কর্তৃক বোমা হামলার সময়, ১৯৮৯ সালের রমজান মাসে ছাত্র ইউনিয়নের রাবি শাখার সভাপতি গাজী গোলাম মোস্তফাকে বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী চকপাড়ায় ইফতারের দাওয়াত দিয়ে নিয়ে গিয়ে হাতের রগ কেটে দেয়ার সময়, ১৯৮৯ সালের নবেম্বরে রাবিতে বোমা হামলার সময়, ১৭ মার্চ, ১৯৯২-তে রাবির ইতিহাসের ভয়াবহতম হামলাটির সময়, ৬ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৩-তে ৫ ছাত্রকে হত্যা করার সময়, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩-তে শেরেবাংলা হলে ঢুকে জুবায়েদ চৌধুরী রিমুকে হত্যা করার সময়, ১৩ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৫-তে ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচার্য রূপমকে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৫ সালের জুলাইয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা ফরহাদের হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৯৯৭ সালে প্রায় বিশজন শিক্ষকের বাসায় বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগ করার সময় হামলার নেতৃত্বে ছিল জাফর বাবু ও তার ক্যাডার বাহিনী। মাইনুল এবং জব্বার : জব্বার ছিল শিবিরের রাবি শাখার সভাপতি। মাইনুল ছিল সেক্রেটারি। মাইনুল বর্তমানে রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে জমজম ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের প্রজেক্ট ডিরেক্টর। জব্বার বর্তমানে যশোরে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের প্রজেক্ট ডিরেক্টর। দুজনের বর্তমান পেশার মতোই আর সবকিছুতেই রয়েছে গভীর মিল। শিবিরের হয়ে ক্যাডারবৃত্তিতে দুজনকেই প্রথম দেখা যায় ’৯২-এর ১৭ মার্চে। চট্টগ্রামের কুখ্যাত সিরাজুস সালেহীন বাহিনীসহ কয়েক হাজার সশস্ত্র বহিরাগত শিবির সন্ত্রাসী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইতিহাসের ভয়াবহতম যে হামলাটি চালায়, রাত ৩টায় বিডিআর নামানোর আগ পর্যন্ত যে হামলা বন্ধ হয়নি, সেই হামলার সময়, ৬ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৩-তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ছাত্রদল নেতা বিশ্বজিৎ, সাধারণ ছাত্র নতুন এবং ছাত্র ইউনিয়নের তপনসহ ৫ ছাত্রকে হত্যা করার সময়, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩-তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শেরেবাংলা হলে হামলা চালিয়ে ছাত্রমৈত্রী নেতা বিশ্ববিদ্যালয় টিমের মেধাবী ক্রিকেটার জুবায়েদ চৌধুরী রিমুকে হাত-পায়ের রগ কেটে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৪ সালে পরীক্ষা দিতে আসার পথে তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনের রাস্তায় ছাত্রমৈত্রী নেতা প্রদ্যুৎ রুদ্র চৈতীর হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৩ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৫তে রাবির পার্শ্ববর্তী চৌদ্দপাই নামক স্থানে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকাল-সন্ধ্যা বাসে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচার্য রূপমকে বাসের মধ্যে যাত্রীদের সামনে হাত ও পায়ের রগ কাটার পর তাকে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৫ সালের জুলাইয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা ফরহাদের হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জিয়া পরিষদ নেতা হাবিবুর রহমান আকন্দসহ প্রায় বিশজন শিক্ষকের বাসায় বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগ করার সময়, ১৯৯৮ সালে শিক্ষক সমিতির মিটিং থেকে ফেরার পথে রাবি শহীদ মিনারের সামনে অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করার সময় মাইনুল এবং জব্বার দুজনে একসঙ্গে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেয়। খুশী : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বুধপাড়া এলাকার বাসিন্দা। ১৭ মার্চ, ১৯৯২-তে পবিত্র রমজান মাসে চট্টগ্রামের কুখ্যাত সিরাজুস সালেহীন বাহিনীসহ কয়েক হাজার সশস্ত্র বহিরাগত শিবির সন্ত্রাসী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইতিহাসের ভয়াবহতম যে হামলাটি চালায়, রাত ৩টায় বিডিআর নামানোর আগ পর্যন্ত যে হামলা বন্ধ হয়নি, সেই হামলার সময়, ১৯ জুন, ১৯৯২-তে জাসদের মিছিল চলাকালে শিবিরের সশস্ত্র হামলায় সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে জাসদ নেতা মুকিম মারাত্মক আহত হন এবং ২৪ জুন তিনি মারা যান, তার ওপর হামলার সময়, ৬ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৩-তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ছাত্রদল নেতা বিশ্বজিৎ, সাধারণ ছাত্র নতুন এবং ছাত্র ইউনিয়নের তপনসহ ৫ ছাত্রকে হত্যা করার সময়, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩-তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শেরেবাংলা হলে হামলা চালিয়ে ছাত্রমৈত্রী নেতা বিশ্ববিদ্যালয় টিমের মেধাবী ক্রিকেটার জুবায়েদ চৌধুরী রিমুকে হাত-পায়ের রগ কেটে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৩ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৫-তে রাবির পার্শ্ববর্তী চৌদ্দপাই নামক স্থানে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকাল-সন্ধ্যা বাসে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচার্য রূপমকে বাসের মধ্যে যাত্রীদের সামনে হাত ও পায়ের রগ কাটার পর তাকে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৫ সালের জুলাইয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা ফরহাদের হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জিয়া পরিষদ নেতা হাবিবুর রহমান আকন্দসহ প্রায় বিশজন শিক্ষকের বাসায় বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগ করার সময় এবং ২০০১ সালে রাবি ছাত্রী হলে বহিরাগত অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত ছাত্রী বিক্ষোভে কমান্ডো হামলা চালিয়ে ছাত্রীদের লাঞ্ছিত ও আহত করার সময় তাকে হামলার নেতৃত্বসারিতে দেখা যায়। আলমগীর : সাবেক রাবি ছাত্র শিবির সাংগঠনিক সম্পাদক। ১৭ মার্চ, ১৯৯২-তে পবিত্র রমজান মাসে চট্টগ্রামের কুখ্যাত সিরাজুস সালেহীন বাহিনীসহ কয়েক হাজার সশস্ত্র বহিরাগত শিবির সন্ত্রাসী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইতিহাসের ভয়াবহতম যে হামলাটি চালায়, রাত ৩টায় বিডিআর নামানোর আগ পর্যন্ত যে হামলা বন্ধ হয়নি, সেই হামলার সময়, ১৯ জুন, ১৯৯২-তে জাসদের মিছিল চলাকালে শিবিরের সশস্ত্র হামলায় সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে জাসদ নেতা মুকিম মারাত্মক আহত হন এবং ২৪ জুন তিনি মারা যান। তার ওপর হামলার সময়, ৬ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৩-তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ছাত্রদল নেতা বিশ্বজিৎ, সাধারণ ছাত্র নতুন এবং ছাত্র ইউনিয়নের তপনসহ ৫ ছাত্রকে হত্যা করার সময়, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩-তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শেরেবাংলা হলে হামলা চালিয়ে ছাত্রমৈত্রী নেতা বিশ্ববিদ্যালয় টিমের মেধাবী ক্রিকেটার জুবায়েদ চৌধুরী রিমুকে হাত-পায়ের রগ কেটে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৪ সালে পরীক্ষা দিতে আসার পথে তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনের রাস্তায় ছাত্রমৈত্রী নেতা প্রদ্যুৎ রুদ্র চৈতীর হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৩ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৫-তে রাবির পার্শ্ববর্তী চৌদ্দপাই নামক স্থানে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকাল-সন্ধ্যা বাসে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচার্য রূপমকে বাসের মধ্যে যাত্রীদের সামনে হাত ও পায়ের রগ কাটার পর তাকে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৫ সালের জুলাইয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা ফরহাদের হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৯৯৮ সালে শিক্ষক সমিতির মিটিং থেকে ফেরার পথে রাবি শহীদ মিনারের সামনে অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করার সময় তার ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। রবি : রাবির একজন কর্মচারী। শিবিরের সাংগঠনিক তৎপরতায় সহযোগিতা করার জন্য তাকে ঐ পদে ঢোকানো হয়। তার বাড়ি রাজশাহী শহরের মির্জাপুর এলাকায়। ২০০১ সালে রাবি ছাত্রীদের বিক্ষোভ মিছিলে শিবিরের সশস্ত্র হামলার সময়, ৯ ডিসেম্বর, ২০০৫ রাবি ছাত্রী হলে বহিরাগত অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত ছাত্রীদের বিক্ষোভ চলাকালে শিবিরের সশস্ত্র হামলার সময় এবং ২৫ জুলাই, ২০০৪ রাবি ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত সিনহার ওপর হামলার সময় তাকে দেখা যায়। শাহাদাত হোসেন : বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে প্রাকটিস করছে। ১৩ ফেব্র“য়ারি, ১৯৯৫-তে রাবির পার্শ্ববর্তী চৌদ্দপাই নামক স্থানে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকাল-সন্ধ্যা বাসে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচার্য রূপমকে বাসের মধ্যে যাত্রীদের সামনে হাত ও পায়ের রগ কাটার পর তাকে কুপিয়ে হত্যা করার সময়, ১৯৯৫ সালের জুলাইয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা ফরহাদের হাতের কব্জি কেটে নেয়ার সময়, ১৯৯৬ সালে জাসাস রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং ছাত্রদল নেতা ডুপ্লের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার সময়, ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জিয়া পরিষদ নেতা হাবিবুর রহমান আকন্দসহ প্রায় বিশজন শিক্ষকের বাসায় বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগ করার সময় এবং ১৯৯৮ সালে শিক্ষক সমিতির মিটিং থেকে ফেরার পথে রাবি শহীদ মিনারের সামনে অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করার সময় তাকে হামলার নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। রেজাউল : বর্তমানে শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা। ২০০১ সালে রাবি ছাত্রী হলে বহিরাগত অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত ছাত্রী বিক্ষোভে কমান্ডো হামলা চালিয়ে ছাত্রীদের লাঞ্ছিত ও আহত করার সময় হামলার পুরোভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল এই রেজাউল। এরা ছাড়াও রাজশাহী জেলার যুব কমান্ডের সাবেক আহ্বায়ক, বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দা শওকত, বিনোদপুরের সালেকীন, ধরমপুরের হাসান, রাবির শেরে বাংলা হলের মুজাহিদ, বর্তমানে গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত হানিফ, ডঁর বাসিন্দা, বর্তমানে রাবির কর্মচারী তোফা, সাবেক রাবি শিবির সভাপতি মাসুদ এবং মির্জাপুর এলাকার বাসিন্দা আলতাফসহ আরো অনেক আলোচিত শিবির ক্যাডারের নিরাপদ আবাসস্থল ছিল রাজশাহী। ৫৪ জনের তালিকায় তাদের নাম রাখা হয়নি। এখন দেখার বিষয় সরকার তাদের নিয়ে কি করে। |