দু বা ই আমিরাতের ঐতিহাসিক শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে (পিসিএল টি-২০ বসুন্ধরা কাপ) আগামী ২৬ মার্চ, ২০১০ থেকে শুরু হচ্ছে। বাংলাদেশের মোট আটটি টিম খেলায় অংশ নিচ্ছে। বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে এ টুর্নামেন্টে তিনজন করে খেলোয়াড় অংশ নিতে পারবে। বিভিন্ন টিমে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে টিমমেট হিসেবে তিনজন করে বিদেশি খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে দুটি টিম খেলায় অংশ নেবে এবং সর্বমোট ১৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যার মধ্যে ২টি সেমিফাইনাল ও একটি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে পিসিএলের আয়োজনে চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি পিসিএলের দ্বিতীয় আয়োজন। এক সাক্ষাৎকারে পিসিএলের চেয়ারম্যান আ জ ম নাছির বলেনÑ দেশে আমরা আয়োজনের পর প্রবাসের মাটিতে বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু শারজাহর মাঠে বিদেশি খেলোয়াড়সহ আমাদের দেশের টিমগুলো খেলবে। যাতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খেলায় বাংলাদেশের টিমগুলো পরিচিতি লাভ করতে পারবে। বর্তমানে পিসিএল টুর্নামেন্ট আয়োজনে আ জ ম নাছির আমিরাতে অবস্থান করছেন। তার সঙ্গে পরিচালকম-লীর অন্যান্য সদস্যের মধ্যে রয়েছেন পিসিএলের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আব্বাস, জেনারেল সেক্রেটারি সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর, পরিচালক আবুল হাসেম ও মোহাম্মদ শাহজাহান, মোহাম্মদ শাহীন, জহির প্রমুখ। এ ছাড়া শারজাহ ক্রিকেট কাউন্সিলের সদস্য আনোয়ার পাশা। টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য আজ শারজাহ স্টেডিয়াম কন্ট্রোল রুমে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে আমিরাত প্রবাসী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলমগীর জামান, মহিউদ্দিন মহিন, প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, মাহবুব হাসান হৃদয় প্রমুখ।
বাংলাদেশি শ্রমিকরা বেকায়দায় অগ্নিকা-ে দুর্ঘটনা রোধকল্পে স্বাস্থ্য, পরিবেশগত নানা সুবিধার কথা মাথায় রেখে ‘ভবন বিধিমালা’ ‘ওয়ান ভিলা, ওয়ান ফ্যামিলি পলিসির আওতায় এনে দুবাইতে সিটি কর্পোরেশন শহরের এ্যাপার্টমেন্টের মালিকদের ১৪ ফেব্র“য়ারির মধ্যে ‘সাবলেট’ ভাড়াটে উঠিয়ে দিতে বলেছে। জমি বা এ্যাপার্টমেন্ট মালিকরা এ নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট বাড়ির পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিয়েছে পৌর কর্মকর্তারা। কর্তৃপক্ষের এই ঘোষণায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে দেশটিতে কর্মরত বেশিরভাগ শ্রমিক। ২০০৮ সাল থেকে পৌর কর্তৃপক্ষ বাড়ি ও এ্যাপার্টমেন্ট মালিকদের বাসা ‘সাবলেট’ না দেয়ার জন্য প্রচারাভিযান শুরু করে। ‘ওয়ান ভিলা, ওয়ান ফ্যামিলি পলিসি’ নামের সেøাগানে বর্তমানে জোরোশোরেই এ প্রচারাভিযান চলছে। যেসব এ্যাপার্টমেন্টে মালিকরা একাধিক পরিবারকে বসবাস করতে দিতেন, তাদের সে সুযোগ আর থাকছে না। অগ্নিকা-ে দুর্ঘটনা রোধকল্পে, স্বাস্থ্য, পরিবেশগত নানা সুবিধার কথা মাথায় রেখে ‘ভবন বিধিমালা’ করা হয়েছে। যারা এটা মানবেন না, তাদের নানা বিপত্তির মুখে পড়তে হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ শ্রমিক রয়েছে যাদের থাকা খাওয়াসহ মাসিক বেতন ১০০০ থেকে ১৫০০ দেরহাম। তারা কোনো রকমে পয়সা বাঁচানোর তাগিদে এক রুমের ভেতর বেশ ক’জন মিলে গাদাগাদি করে থাকার সুযোগ থাকলেও এখন নতুন এ আইনের আওতায় সে সুযোগ আর না থাকায় বিপাকে পড়েছে সে সব সাধারণ শ্্রমিক। তবে ভবন মালিক তাদের এখনো বাসা ছাড়তে কোনো চাপ দেননি বলে জানান শ্রমিকরা। তবে দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) নাসরিন জাহান বলেন, বাংলাদেশের কোনো শ্রমিক বেকায়দায় পড়বে না। দুবাইয়ের শ্রম আইন অনুযায়ী, শ্রমিকরা এক কক্ষে ছয় থেকে আট জন থাকতে পারবে। এ নিয়ম তাদের জন্য করা হয়েছে, যারা পরিবার নিয়ে বসবাস করে বাড়ি ‘সাবলেট’ দেন। সাইফুল ইসলাম তালুকদার saif@starsew.com |