Logo
 বর্ষ ১১ সংখ্যা ৩০ ৪ঠা মাঘ, ১৪২৫ ১৭ জানুয়ারী, ২০১৯ 
প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
এই সময়/রাজনীতি
ডায়রি/ধারাবাহিক
স্বাস্থ্য
খেলা
প্রতিবেদন
সাহিত্য সংস্কৃতি
বিশ্লেষন
সাক্ষাৎকার
প্রবাসে
দেশজুড়ে
অনুষ্ঠান
ফিচার ও অন্যান্য
নিয়মিত বিভাগ
দেশের বাইরে
প্রতিবেদন
 
http://sadiatec.com/
[পাঠক ভাবনা] মুক্তির জয়  
বাংলাদেশের মানুষের আন্তরিকতায় ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। বঙ্গবন্ধুর শেষ অস্তিত্ব ফুরিয়ে যাওয়া বংশ প্রদীপের অবশিষ্ট অংশ সুচিন্তিত বুদ্ধিদীপ্ত সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাই চতুর্থবারের মতো [একাধারে তৃতীয়] প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর বংশধরদের যদি একটানা হাজার বছরও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় রাখা হয় বাঙালির ঋণ শোধ হওয়ার নয়। বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নির্মম হত্যা বাঙালিদের ঋণের বোঝা অনেক ভারী করে ফেলেছে।
পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল অসভ্যরা। মহান স্রষ্টা তা বাঁচিয়ে রাখলেন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যাকে রক্ষা করে। সেই দুই কন্যারই এক কন্যা দৃঢ়চেতা নেত্রী শেখ হাসিনা। অন্যরা কে কী ভাবে আমি জানি না। আমি তার মাঝে যে বঙ্গবন্ধুর স্বরূপ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছোঁয়া অনুভব করি। তার মাঝে আমি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে ফিরে পাই। একটা স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার ইচ্ছে ছিল বঙ্গবন্ধুর। একটাই ইচ্ছের জন্য সারাটা জীবন দিয়েছিলেন বাঙালিদের। এই সবুজ শ্যামল রূপসী বাংলাকে ভালোবেসে বুকে ধরেছিলেন বাঙালি মীর জাফরদের বুলেটের গুলি। পড়ে রইল স্বপ্নের বাংলা। তার উপরে তামাশার নৃত্য করে গেল খুনিরা বছরের পর বছর। বঙ্গবন্ধুর আত্মার শুদ্ধ পরিস্ফুটিত আলো ছড়িয়ে পড়ল রূপসী বাংলার পরতে পরতে, শেখ হাসিনার আলোয় আলোকিত হলো বাংলা। এই বাংলাই যে আমরা চেয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ।
খুনিরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শই মিলিয়ে শুধু দিতে চায়নি; বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সব সদস্যকে জাতির সামনে প্রমাণহীনভাবে মিথ্যের মাধ্যমে হেয় ও অপমানিত করারও চেষ্টা করেছে। এমন এক মহান ব্যক্তিকে তারা থামিয়ে দিয়েছে। যার প্রতিটি সুন্দর সুচিন্তিত সুশৃঙ্খল সৃজনশীল আধুনিক রুচিশীল অনন্য চিন্তার সুফল আমরা পেতাম। তা থেকে বঞ্চিত হলাম। বর্বররা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিল নষ্টের বাংলাদেশে। আবারও একটা নষ্টের আবহ জেগে উঠছিল তা থেকে জাতি মুক্তি পেল ৩০ ডিসেম্বরে। শেখ হাসিনা নষ্ট থেকে আমাদের উদ্ধারে একবার সময় পেয়েছিলেন। তারপর আবার নষ্টদের দেশ। আবার ফিরলেন তিনি দশ বছরের এই পথচলায় বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ সাঁজতে শুরু করেছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশের দিকে। এই পথযাত্রা থেমে যাচ্ছিল সর্বনাশের দিকে, সে সর্বনাশ থেকে মুক্তি পেল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ। আর তাকে থামানো যাবে না। বাংলাদেশ এখন নষ্টমুক্ত ভ্রষ্টমুক্ত ষড়যন্ত্রকারী কুশীলবমুক্ত। কোনো ষড়যন্ত্রই আর থামাতে পারবে না বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাকে। বঙ্গবন্ধুর জীবনের সব সিদ্ধান্তই ছিল স্বপ্নের বাংলাদেশকে ঘিরে। নিজেকে নিয়ে নয়।
মির্জা আবু হেনা কায়সার টিপু
email-tipupoet@gmail.com

Bookmark and Share প্রিন্ট প্রিভিও | পিছনে 
নিয়মিত বিভাগ
  • [স ম্পা দ কী য়] জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬ শতাংশ
  •  মতামত সমূহ
    পিছনে 
     আপনার মতামত লিখুন
    English বাংলা
    নাম:
    ই-মেইল:
    মন্তব্য :

    Please enter the text shown in the image.
    বর্তমান সংথ্যা
    পুরানো সংথ্যা
    Click to see Archive
    Doshdik
     
     
     
    Home | About Us | Advertisement | Feedback | Contact Us | Archive