Logo
 বর্ষ ১১ সংখ্যা ১৭ ২১শে আশ্বিন, ১৪২৫ ১৮ অক্টোবর, ২০১৮ 
প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
এই সময়/রাজনীতি
ডায়রি/ধারাবাহিক
স্বাস্থ্য
খেলা
প্রতিবেদন
সাহিত্য সংস্কৃতি
বিশ্লেষন
সাক্ষাৎকার
প্রবাসে
দেশজুড়ে
অনুষ্ঠান
ফিচার ও অন্যান্য
নিয়মিত বিভাগ
দেশের বাইরে
প্রতিবেদন
 
http://sadiatec.com/
[করপোরেট সাক্ষাৎকার] ‘এখন হুন্ডির পরিবর্তে বিকাশ ব্যবহৃত হচ্ছে’ -মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মো. মনিরুল ইসলাম  
চিফ এক্সটারনাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার, বিকাশ

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এখনকার অবস্থা সম্পর্কে আপনার কাছে জানতে চাই?
মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মো. মনিরুল ইসলাম : আপনারা জানেন যে, ২০১১ সালে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা বাংলাদেশ সরকারের যে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ধারণা তার প্রতিফলন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে  ব্যাংকগুলো লাইসেন্সপাপ্ত হয় এবং ১৮টি ব্যাংক এই ইন্ডাস্ট্রি কাজ শুরু করে। এটি যেহেতু নতুন জিনিস ছিল সুতরাং এখানে মানুষের ধারণা সৃষ্টি ও বিশ্বাস স্থাপন করাই ছিল মুখ্য বিষয়। এই সার্ভিস প্রদানের মাধ্যমে যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। ইংরেজিতে যাদের বলি- আন ব্যাংক পপুলেশন। তাদের একটা লিমিটেড ফরমাল ব্যাংকিং সুবিধা দেয়ার সুযোগ করা হলো। মানুষ এর থেকে উপকার পাওয়া শুরু করল। এই যে নিম্ন আয়ের মানুষ যারা আর্থিকভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল না, তারা কিন্তু এখন আর্থিকভাবে অন্তর্ভুক্ত এবং তারা তাদের টাকা পয়সার আদান প্রদান এবং বিল পেমেন্ট সবই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করতে পারছে। এর বিস্তৃতি ঘটেছে এই কারণে যে, মানুষ দেখেছে এর থেকে উপকার আছে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিরাপদে টাকা আদান প্রদান হচ্ছে। এই বিশ্বাসের ভিত্তি থেকে আমরা সার্ভিসের সংখ্যাও বৃদ্ধি করেছি। প্রথমে টাকা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পাঠানো ছিল মূল কাজ। তারপরে দেখা গেল যে, এটা দিয়ে কেনাকাটাও করা যায়। বিল পেমেন্ট করা যায়, এটা দিয়ে বড় বড় ফ্যাক্টরির অসংখ্য মানুষ একই সময়ে স্যালারি পেতে পারে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতাও বিকাশের মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। তাই এর বিস্তৃতি ঘটছে এবং যেহেতু টেকনোলজিক্যাল ইনোভেশনের মাধ্যমে এটি হচ্ছে তাই এ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এর সার্ভিসের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং মানুষের দোরগোড়ায় এই সেবা পৌঁছে দেয়ার যে বিষয় তা এখন বড় ভূমিকা পালন করছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ক্ষেত্রে।
বিকাশের মাধ্যমে হুন্ডি এবং অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছিল, এ ব্যাপারে কিছু জানতে চাই?  
শেখ মো. মনিরুল ইসলাম : এই অভিযোগের ব্যাপারে আমরা অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। অভিযোগ এই রকম ছিল যে, যারা আমাদের দেশের মানুষ বিদেশে কাজ করেন তারা স্বল্প একটা অ্যামাউন্ট এর টাকা বাংলাদেশে পাঠাতে চায়। সেই ক্ষেত্রে তারা যে সুবিধাটা পেতে চায় দ্রুততম সময়ে তা পাঠাতে চায় সেই ব্যবস্থা তারা পাচ্ছিল না। বিকল্প হিসেবে যারা হুন্ডি করেন- তারা এই সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়ে বলেছিল যে, টাকা আমাদের দাও। দেশে টাকা যার পাওয়ার কথা তাকে টাকা পৌঁছে দেয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক যখন এই ব্যাপারে আমাদের ডাকলো আমরা বিষয়টা জানলাম। বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল যে, এটাতো একটা প্রয়োজন। এই প্রয়োজনের যদি বিকল্প না দেয়া হয় তাহলে সেই প্রয়োজনটা তারা অন্যভাবে মেটাবেই। কারণ তারা অনেক কষ্ট করে ছুটি নিলে-ওই দিনের টাকা কাটা যায়, ব্যাংকে এসে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। তাই হুন্ডির একটা ফরমাল অ্যারেঞ্জমেন্ট দেয়ার প্রয়োজন ছিল। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক সেই অনুমতি আমাদের দিল আমরা তিনটা ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলাম।  যেমন, ব্যাংক এশিয়া সবচেয়ে এই ব্যাপারে এগিয়ে আছে। বিষয়টা হলো- ওখানকার এনটিও’রা বা এক্সচেঞ্জ হাউজরা  ব্যাংক এশিয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাচ্ছে। যা খুবই ফরমাল এবং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আমাদের ফরেন রিজার্ভে জমা হচ্ছে এবং ওই টাকার ভ্যালু এডিশন ব্যাংক এশিয়া বিকাশকে নির্দেশ দিচ্ছে যে, এই নাম্বারের ব্যক্তিকে এই সমপরিমাণ টাকা পৌঁছে দিতে হবে। তাই এখন আমরা আগের মতোই সল্যুশন দিচ্ছি কিন্তু ফরমাল ওয়েতে। আপনারা জেনে খুশি হবেন, গেল জানুয়ারি মাস থেকে এটা শুরু হয়। প্রথম দিকে একটু সময় লাগে। পরপর দুই ঈদে অনেক টাকা এসেছে একইভাবে এবং প্রায় ১৪ মিলিয়ন এর সমপরিমাণ টাকা এই তিন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিকাশে মাধ্যমে পরিশোধিত হয়েছে। তাই এটি ভালো বিকল্প তৈরি হয়েছে। এখন মানুষ এটির প্রতি আকৃষ্ট হলে দেশের জন্যে যে ক্ষতি তা আর হবে না।
একটা নতুন কিছু হলেই তার জন্যে হিড়িক পড়ে যায়। বিকাশের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের দিকে ঝুঁকছে অনেকেই। এতে কি কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে?   
শেখ মো. মনিরুল ইসলাম : প্রতিযোগিতাকে সবসময় স্বাগত জানাতে হবে। কারণ প্রতিযোগিতা থাকলেই আমরা সতর্ক থাকব ভালো সার্ভিস দেয়ার জন্যে। এতে করে গ্রাহকরা সুবিধা পাবে। যেটা প্রয়োজন তা হলো- ডিসিপ্লিন। এই কারণেই ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এমএফএস রেগুলেশন বের করেছে। এই রেগুলেশনটা পরিষ্কারভাবে নির্দিষ্ট  করে দেয়া আছে যে, কারা কীভাবে কী উপায়ে এই ব্যবসা করবে। আমি মনে করি, যেহেতু রেগুলেশন এসে গেছে তাই যারা ব্যবসা করবেন তারা রেগুলেশন মেনেই করবেন। এরপরে এনএফসিএফটি গাইডলাইন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ২০১৭ সালে বের করেছে। সুতরাং ওই গাইডলাইনের বাইরে মোবাইল ব্যাংকিং করা নিষেধ।
Bookmark and Share প্রিন্ট প্রিভিও | পিছনে 
সাক্ষাৎকার
  • [কর্পোরেট সাক্ষাৎকার] ‘কারিগরি শিক্ষার উপরে জোর দিতে হবে’-ইঞ্জি. এনামুল হক এমপি
  • [কর্পোরেট সাক্ষাৎকার] ‘আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজাইনিংয়ে সমস্যা আছে’-ড. হান্নান চৌধুরী
  • [কর্পোরেট সাক্ষাৎকার] ‘অনেকে বলেন, হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ের এখন আর কোনো প্রয়োজন নেই’-প্রফেসর ড. মাহফুজুল হক
  •  মতামত সমূহ
    পিছনে 
     আপনার মতামত লিখুন
    English বাংলা
    নাম:
    ই-মেইল:
    মন্তব্য :

    Please enter the text shown in the image.
    বর্তমান সংথ্যা
    পুরানো সংথ্যা
    Click to see Archive
    Doshdik
     
     
     
    Home | About Us | Advertisement | Feedback | Contact Us | Archive