Logo
 বর্ষ ১০‌ সংখ্যা ৩৭ ৯ই ফাল্গুণ, ১৪২৪ ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ 
প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
এই সময়/রাজনীতি
ডায়রি/ধারাবাহিক
স্বাস্থ্য
খেলা
প্রতিবেদন
সাহিত্য সংস্কৃতি
বিশ্লেষন
সাক্ষাৎকার
প্রবাসে
দেশজুড়ে
অনুষ্ঠান
ফিচার ও অন্যান্য
নিয়মিত বিভাগ
দেশের বাইরে
প্রতিবেদন
 
http://sadiatec.com/
[প্রবাস প্রতিবেদন] একটি কুকুর যেখানে বিশ্বস্ততার জাতীয় প্রতীক হয়ে ওঠে  
রাহমান মনি, জাপান থেকে

প্রভুভক্ত প্রাণী হিসেবে কুকুরের উদাহরণটাই সবার আগে চলে আসে। কুকুর অত্যন্ত প্রভুভক্ত প্রাণী হিসেবে পরিচিত। কুকুরের প্রভুভক্তির হাজারও উদাহরণ শতাব্দীর পর শতাব্দী, হাজার বছর ধরে চলে আসছে।
১১৪টি সুরা সম্বলিত পবিত্র কোরানের ১৮ নম্বর সুরা ‘সুরা কাহাফ’ যা মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছিল। সেখানে আসমান ও জমিনের সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তা হিসেবে মহান রাব্বুল আলামিনের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করে গুহায় আশ্রয় নেয়া পাঁচ যুবক (মতান্তরে ছয় কিংবা সাত) এর সঙ্গে রাজ বাবুর্চির কুকুর, যার নাম ‘কিতমির’ও ছিল। এবং সেই কিতমিরও আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস রেখে যুবকদের পাহারাও দিয়েছিল। আল্লাহর প্রতি এমন বিশ্বাস ও আল্লাহর নির্দেশ মান্য করার জন্য কিতমিরকে বেহেশতে স্থান দেয়ার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে কুকুর হওয়া সত্ত্বেও।
কুকুর নিয়ে বিভিন্ন রূপকথা, উপকথার ঘটনার বর্ণনা রয়েছে বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতিতে। কিন্তু জাপানে ‘হাচিকো’ নামক একটি কুকুর প্রায় শতবর্ষ ধরে প্রভুভক্তির জন্য, বিশ্বস্ততার জন্য জাতীয় প্রতীক হিসেবে সকল রূপকথা, উপকথাকে হার মানিয়ে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। সেই হাচিকোর কথাই পাঠকদের জানান দেয়া আজকের লেখার মূল উদ্দেশ্য।
জাপানের আকিতা প্রদেশের কুকুরের জন্য জাপানে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আকিতা প্রদেশে বাস করা মানুষের চেয়ে কুকুরের সংখ্যা বেশি এবং যতই দিন যাচ্ছে এই তফাৎটা আনুপাতিক হারে বেড়েই চলেছে। যদিও জাপানে কুকুরের অভয়ারণ্য হচ্ছে আইচি প্রদেশ।
আকিতা প্রজাতির কুকুরের আবার বিশ্ব খ্যাতি রয়েছে। ২০১২ সালে বিশ্বক্ষমতাধর দেশের প্রেসিডেন্ট ভøাদিমি পুতিনকে জাপান আকিতা প্রজাতির একটি মেয়ে কুকুর উপহার দেয়। কুকুরটির নাম ছিল ইউমি। কুকুরটি প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গেই থাকে। যদিও ২০১৭ সালে পুতিনের জাপান সফরকালীন আরেকটি ‘আকিতা’ প্রজাতির কুকুর উপহার দিতে চাইলে বেরসিক পুতিন তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন।
আরেক ক্ষমতাধর দেশ আমেরিকার জাপানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ক্যারোলিন কেনেডি তার দায়িত্ব পালন শেষে (১৯ নভেম্বর ২০১৩-১৮ জানুয়ারি ২০১৭) নিজ দেশে ফিরে যাবার সময় আকিতা প্রজাতির একটি কুকুর সঙ্গে করে নিয়ে যান। যদিও আকিতা প্রজাতির কুকুর আমেরিকাতেও রয়েছে। তারপরও জাপান বলে কথা।
হাচির জন্ম ১০ নভেম্বর ১৯২৩ সালে। আকিতা প্রদেশের ওদাতে নামক শহরে। এলাকাটি জাপানের মূল ভূখণ্ডের উত্তরের অংশ। শীতপ্রধান এলাকা। চালের জন্য এই এলাকাটির আলাদা একটা বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
১৯২৪ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের অধ্যাপক হিদেসাবুরো উয়েনো পোষ্য হিসেবে হাচিকে আকিতা থেকে নিজ পরিবারের সদস্য করে নিয়ে আসেন। জাপানে পোষ্যপ্রাণী বিশেষ করে কুকুর এবং বিড়ালকে পরিবারের একজন সদস্য হিসেবেই বিবেচিত হয়। ডাকাও হয় মানুষের মতো করেই। অর্থাৎ নামের শেষে জনাব/জনাবা সম্বোধন করে। এই পোষ্যদের জন্য রয়েছে বীমা ব্যবস্থা। রয়েছে পার্লার, পেটফুড শপ, হাসপাতাল, হোটেল থেকে শুরু করে বিনোদনের জন্য নানা ব্যবস্থা। নিজে নিয়মিত তিনবেলা আহার না করলেও পোষ্যদের জন্য নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়। ঝড় বৃষ্টি, তুষারপাত উপেক্ষা করে সকাল-বিকাল নিয়মিত বের হতে হয় তার আবহাওয়া পরিবর্তন করানোর জন্য। এ সময় আবার প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখতে হয় সঙ্গে। যাতে করে পরিবেশের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব না পড়ে।
প্রফেসর উয়েনো হাচির নাম রাখেন হাচিকোউ। হাচি শব্দের অর্থ আট (৮) আর কো অর্থ স্নেহ, প্রেম, ভালোবাসা। জাপানে সাধারণত মেয়েদের নামের শেষ অংশটা কো দিয়ে শেষ হয়। যেমন আইকো, আয়াকো, কেইকো, সায়াকো... এরকম হাজারও কো। বর্তমান রাজপরিবারের মহিলা সদস্যদের সবার নামের শেষে কো রয়েছে। এমনকি সাধারণ পরিবার থেকে বৈবাহিকসূত্রে রাজপরিবারের সদস্যা হওয়া সম্রাজ্ঞী মিচিকো, যুবরাজ পতœী রাজকুমারী মাসাকো, রাজকুমারী কিকো, রাজকন্যা আইকো, কাকো এবং মাকো সবার নামের শেষে কো  জুড়ে রয়েছে। কিন্তু এখানে কোউ অর্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। একসময় জাপানে মন্ত্রীদের নামের শেষে কোউ সম্বোধন হতো।
হাচিকো সান (মেয়েদের বেলায় চান কিংবা সান এবং পুরুষদের বেলায় কুন কিংবা সান অর্থাৎ জনাব/জনাবা) প্রফেসর উয়েনোর পরিবারের সদস্যা হিসেবে হেসে খেলে, খুনসুটি করেই দিন পার করছিল। প্রফেসর উয়েনোও হাচিকোকে সন্তানতুল্য আদর দিয়ে বড় করছিলেন। হাচিকো ছিল তার সহচর। হাচি ছিল আকিতা প্রজাতির পুরুষ কুকুর।
প্রফেসর উয়েনো যখন কর্মক্ষেত্রে অর্থাৎ টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান করতে যেতেন তখন হাচিকো উয়েনোর সঙ্গে এসে শিবুইয়া রেলস্টেশন পর্যন্ত এগিয়ে দিত এবং প্রফেসর ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করত কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে এসে নিয়ে যেত। জাপানের রেল সাধারণত ঘড়ির কাঁটা ধরেই চলাচল করে। কয়টার রেল কয়টায় ছাড়বে প্রবাদটি জাপানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে, অর্থাৎ কেউ যদি স্বেচ্ছায় নিজের একমাত্র জানটা উৎসর্গ না করেন, জান উৎসর্গ বলতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা না করেন। আত্মহত্যা করে অবশ্য রেহাই পান নিজে, তবে ভুক্তভোগী করে যান নিকটজনদের। কারণ, জাপান রেলওয়ে আইনে আত্মহত্যা করা মানে মোটা অঙ্কের মাশুল গোনা। নিকটজনদের তা পরিশোধ করতে হয়। রেহাই পাওয়ার উপায় থাকে না।
প্রতিদিন ঠিক চারটার সময় প্রফেসর উয়েনো শিবুইয়া রেলস্টেশনে এসে পৌঁছলে হাচিকো তাকে রিসিভ করত এবং প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেরে বাড়ি ফিরত। এভাবে তারা ১৯২৫ সালের ২০ মে পর্যন্ত একে অপরের হয়ে দিনাতিপাত করছিলেন।
তাদের এই সাহচর্যের ব্যত্যয় ঘটে ১৯২৫ সালের ২১ মে। এই দিন তারা উভয়ে শিবুইয়া স্টেশন পর্যন্ত এক সঙ্গেই আসেন এবং যথারীতি প্রফেসর ক্লাস নিতে যান এবং হাচিকো অপেক্ষায় বসে থাকে। এই যাওয়াই যে প্রফেসরের শেষ যাওয়া এবং হাচিকোর অনন্তকালের অর্থাৎ আমরণ অপেক্ষা তা তাদের কেউই জানতে পারেনি। জানার কথাও না। জানতেন কেবল বিধাতা।
২১ মে প্রফেসর উয়েনো টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নেয়াকালীন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (সেরিব্রাল হেমারিজ) হয়ে শ্রেণিকক্ষে ঢলে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলেও মৃত্যুর হিমশীতলতার হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিবুইয়া রেলস্টেশনে আর ফিরে আসা সম্ভব হয়নি। হাচিকো সময়মতো এসে অপেক্ষা করতে থাকে তার মনিবের জন্য।
এদিকে অবলা প্রাণী হাচিকোর পক্ষে তা জানা সম্ভব হয়নি। হাচিকো তাই তার অভিভাবকের আশায় দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর করে মোট নয় বছর নয় মাস পনেরো দিন অপেক্ষার পর ১৯৩৫ সালের ৮ মার্চ নিজ জীবনের অবসান ঘটা পর্যন্ত অপেক্ষায় প্রহর গোনে।
দীর্ঘ এই অপেক্ষার কথা প্রফেসর সংশ্লিষ্ট এবং শিবুইয়া এলাকাবাসী জানলেও জাপানবাসীদের নজরে আসে ১৯৩২ সালের ৪ অক্টোবর জাপানের জাতীয় পত্রিকা ‘আসাহি শিমবুন’-এ হিরোকিচি সাইতো (প্রফেসর উয়েনোর শিক্ষার্থী এবং আকিতা প্রজাতির কুকুর বিশেষজ্ঞ)’র একটি কলাম প্রকাশ পেলে, জাপানজুড়ে কুকুরপ্রেমীদের নজর কাড়তে সক্ষম হয় এবং হাচিকো হয়ে ওঠে চেতনার প্রতীক। মনিবের প্রতি এমন বিশ্বস্ততা জাপানিদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। হাচিকো জাপানিদের জাতীয় প্রতীক ও কিংবদন্তি হয়ে ওঠে। বিশ্বস্ততার উদাহরণ হিসেবে হাচিকোর নামটি সবার আগেই চলে আসে। পারিবারিক কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিশ্বস্ততা মানেই হাচিকোকে বোঝানো হয়ে থাকে।
জাপানের বিভিন্ন এলাকা থেকে কুকুরপ্রেমীরা  ছুটে আসেন হাচিকোকে দেখার জন্য। অনেকেই আবার খাবার নিয়ে আসতেন। কেউবা হাচিকোর কল্যাণে তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেন।
শিবুইয়া রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ হাচিকোর স্মরণে একটি বহিঃগমনের (ঊঢওঞ) নাম দেয় হাচিকো ঊঢওঞ। এই হাচিকো এক্সিট দিয়ে বের হওয়ার পর যে জেব্রা ক্রসিংটি পড়ে তা হচ্ছে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে ব্যস্ততম জেব্রা ক্রসিং। প্রতিদিন লাখ লাখ লোক এই জেব্রা ক্রসিং অতিক্রম করে থাকেন। বিদেশি পর্যটক তো বটেই, অনেক জাপানিরাও এই জেব্রা ক্রসিংটি দেখতে আসেন। আর এখানে রাখা হাচিকোর মূর্তিটি (ভাস্কর্য) জাপানিদের কাছে দেখা দরকার (মিলিত হবার) আদর্শ স্থান। বিশেষ করে যুব সমাজের। হাজার হাজার মানুষ এখানে প্রতিদিন অপেক্ষা করেন অন্যের সাক্ষাৎ পাওয়ার আশায়। রয়েছে পুলিশ ফাঁড়ি। রয়েছে আকিতা প্রজাতির কুকুরের বংশক্রমানাশিক ভাস্কর্য। এখানে আসার পর কুকুর সম্পর্কে মানুষের ধারণা পাল্টে যায়। যারা কুকুর পছন্দ করেন না তাদেরও ধারণা পাল্টে যায়। সহানুভূতি জাগে কুকুরের প্রতি।
হাচিকোর মৃত্যুর পর মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটন নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। বিভিন্ন শহরে ভাস্কর্য তৈরি হয়েছে। হাচিকোর জীবন নিয়েও গবেষণা কম হয়নি। এরই মধ্যে বিভিন্ন মিথও চালু রয়েছে জাপানিদের মধ্যে।
তার মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য হচ্ছে ১৯৩৫ সালের ৮ মার্চ শিবুইয়া এলাকার একটি রাস্তার ওপর হাচিকোর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। জাপানের প্রখ্যাত শ্মশান কেন্দ্র আওয়ামা শ্মশান কেন্দ্রে দাহ শেষে প্রফেসর হিদেসাবুরো উয়েনোর পাশে সমাধিস্থ করা হয়। মৃত্যুর কারণ নিয়ে নানামুখী গবেষণা করা হয়।
অবশেষে ৮২ বছর পর ২০১১ সালের মার্চ মাসে বিজ্ঞানীরা চূড়ান্তভাবে মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হওয়ার দাবি করা হয়। হাচিকোর মৃত্যুর কারণ হিসেবে অন্ত্রে ক্যানসারজনিত ক্ষতের কথা উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়াও মৃত্যুর পর তার পাকস্থলিতে জাপানিজ ইয়াকিতরি (মুরগির মাংস দিয়ে তৈরি এক ধরনের কাবাব) তৈরির চারটি শিক (বাঁশের তৈরি) বা কাঠি পাওয়া যায়। তবে এই কাঠিগুলো মৃত্যুর জন্য দায়ী নয় বলে গবেষকরা জানান।
জাপান সংস্কৃতির বিভিন্ন মাধ্যমেই হাচিকোকে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে নাটক বা সিনেমায় হাচিকো এলাকা, হাচিকোর স্মৃতি দেখানো নিয়মিত একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাপান জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকে সংবাদ সম্প্রচারের পূর্বে কিংবা বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যস্ততম এই এলাকাটি দেখানো হয়ে থাকে।
হাচিকোর গল্প নিয়ে জাপানে চলচ্চিত্র বানানো হয়েছে। পরিচালক সেইজি কোইয়ামা ১৯৮৭ সালে হাচিকোর গল্প নিয়ে ‘হাচিকো মনোগাতারি’ বা হাচিকোর গল্প নামে চলচ্চিত্রটি তৈরি করেন। সিনেমাটি জাপানে ব্যাপক ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়।
এ ছাড়াও জাপানে শিশুদের পাঠযোগ্য বইয়ে হাচিকোর বিষয় স্থান পেয়েছে। ২০০৪ সালে পামেলা এস টারনার ‘দি ট্রু স্টোরি অব লয়াল ডগ’ নামে শিশুতোষ বই রচনা করেন যা হাচিকোর জীবন নিয়ে রচনা করা হয়েছে। এভাবেই হাচিকো জাপানে বিশ্বস্ততার জাতীয় প্রতীক হিসেবে পরিণত হয়েছে।
তথ্যসূত্র : আন্তর্জাল এবং সেমিনারে উপস্থিত থেকে।
rahmanmoni@gmail.com
Bookmark and Share প্রিন্ট প্রিভিও | পিছনে 
প্রবাসে
 মতামত সমূহ
পিছনে 
 আপনার মতামত লিখুন
English বাংলা
নাম:
ই-মেইল:
মন্তব্য :

Please enter the text shown in the image.
বর্তমান সংথ্যা
পুরানো সংথ্যা
Click to see Archive
Doshdik
 
 
 
Home | About Us | Advertisement | Feedback | Contact Us | Archive