Logo
 বর্ষ ১০ সংখ্যা ৩২ ২৫শে পৌষ, ১৪২৪ ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮ 
প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
এই সময়/রাজনীতি
ডায়রি/ধারাবাহিক
স্বাস্থ্য
খেলা
প্রতিবেদন
সাহিত্য সংস্কৃতি
বিশ্লেষন
সাক্ষাৎকার
প্রবাসে
দেশজুড়ে
অনুষ্ঠান
ফিচার ও অন্যান্য
নিয়মিত বিভাগ
দেশের বাইরে
প্রতিবেদন
 
http://sadiatec.com/
[স ম্পা দ কী য়] শিক্ষার ভবিষ্যৎ কী?  
‘মানব জাতির জন্য শিক্ষা হচ্ছে একটি জরুরি বিষয়। শিক্ষা ছাড়া আমাদের কাছে আর কোনো মূলধন আছে বলে মনে করি না। শিক্ষাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পাথেয়। কিন্তু আমরা দিনে দিনে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরে আসছি। শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্র, সমাজের যে দায় তা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। শিক্ষাক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্বহীনতাই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। শিক্ষায় সর্বোচ্চ বাজেট হওয়ার কথা। তা আর হচ্ছে না। প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বাড়ে, কিন্তু শিক্ষায় সেই হারে বাড়ে না।
শিক্ষায় আর্থিক সংকট আছে বলেই দুর্নীতি এখন গেড়ে বসেছে। শিক্ষকরাও অর্থ আয় করতে অন্য পেশায় গুরুত্ব দেয়। প্রশ্ন ফাঁস করে আয় করতে হয়। কোচিং ব্যবসা চলে। আজকে বেতন বৈষম্য দূর করা নিয়ে শিক্ষকদের যে আন্দোলন, তা ন্যায্য বটে। শিক্ষায় বরাদ্দ না বাড়ালে এই সংকট দূর হবে না। শিক্ষায় পট পরিবর্তন আনতে হলে সবার আগে শিক্ষকদের মান-মর্যাদা বাড়াতে হবে।
শিক্ষকদের মর্যাদা বাড়লে মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসবে। মেধাবীরা শিক্ষক হলে শিক্ষার উন্নয়ন দ্রুত ঘটবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা মেধাবী শিক্ষার্থীরা যদি গ্রামে গিয়ে আলো ছড়ায়, তাহলে দ্রুতই সংকট কেটে যাবে। এর জন্য রাষ্ট্রকে দায় নিতে হবে। মেধাবীদের মর্যাদা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার মর্যাদা রক্ষা করতে হলে এই ক্ষেত্রে দুর্নীতিরোধে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। ঘুষ, প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে যা ঘটল, তার তদন্ত করতে হবে, উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। শিক্ষার সঙ্গে কোনো আপস হতে পারে না।’
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর এই কথাগুলো আমরা দীর্ঘদিন ধরে নানা উপায়ে বলে আসছি। শিক্ষা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে ‘সাপ্তাহিক’। বর্তমান সংখ্যাটিও শিক্ষাকেই উপজীব্য করেছে। কিন্তু শিক্ষার উন্নয়নের কোনো আলো আমরা কোথাও দেখতে পাচ্ছি না। সরকার যেন শিক্ষা বাদ দিয়ে বাকি সব কিছু নিয়ে কথা বলতে চায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, বইপত্র, বিধি-বিধান সবই আছে, শুধু কোথাও শিক্ষা নেই। মানসম্মত শিক্ষা যেন অতীতের গল্প হয়ে গেছে। এটা দেখিয়ে দিচ্ছে যে, এই জাতির ভবিষ্যৎ, আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে গভীর সংকটে ফেলে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কাজ না করলে জনগণকেই পথ দেখাতে হয়। এক্ষেত্রে এখন এই একটিমাত্র পথই খোলা আছে বলে মনে হচ্ছে।

১১ জানুয়ারি ২০১৮  বর্ষ ১০  সংখ্যা ৩১
Bookmark and Share প্রিন্ট প্রিভিও | পিছনে 
নিয়মিত বিভাগ
  • [স ম্পা দ কী য়] কারও কি সমবেদনাও নেই!
  •  মতামত সমূহ
    পিছনে 
     আপনার মতামত লিখুন
    English বাংলা
    নাম:
    ই-মেইল:
    মন্তব্য :

    Please enter the text shown in the image.
    বর্তমান সংথ্যা
    পুরানো সংথ্যা
    Click to see Archive
    Doshdik
     
     
     
    Home | About Us | Advertisement | Feedback | Contact Us | Archive