Logo
 বর্ষ ১০ সংখ্যা ৩২ ২৫শে পৌষ, ১৪২৪ ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮ 
প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
এই সময়/রাজনীতি
ডায়রি/ধারাবাহিক
স্বাস্থ্য
খেলা
প্রতিবেদন
সাহিত্য সংস্কৃতি
বিশ্লেষন
সাক্ষাৎকার
প্রবাসে
দেশজুড়ে
অনুষ্ঠান
ফিচার ও অন্যান্য
নিয়মিত বিভাগ
দেশের বাইরে
প্রতিবেদন
 
http://sadiatec.com/
বিজয় দিবস উদযাপন  
জা পা ন

রাহমান মনি

লাখো শহীদের আত্মত্যাগে অর্জিত মহান বিজয়ের ৪৬তম বর্ষপূর্তি পালন করেছে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি। যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত আয়োজনটি ছিল প্রবাসীদের মিলনমেলা।
মহান বিজয় দিবসটি প্রতিবারের মতো এবারও গ্রেটার ময়মনসিংহ সোসাইটি ইন জাপানের ব্যানারে পালিত হয়েছে। ২৪ ডিসেম্বর এ উপলক্ষে টোকিওর কিতা সিটি আকাবানে বুনকা সেন্টার বিভিও হলে এ উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে দূতাবাসের প্রতিনিধিত্ব করে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেছিলেন দূতালয় প্রধান, প্রথম সচিব মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন দূতাবাস কাউন্সিলর (শ্রম) মো. জাকির হোসেন।
জিএমএস-এর সভাপতি ড. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং কামরুল আহসান জুয়েলের পরিচালনায় মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা অজিত কুমার বড়–য়া (বিশেষ অতিথি) এবং সুখেন ব্রহ্ম (উপদেষ্টা)।
শুরুতেই অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে প্রধান অতিথির নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। স্মৃতিসৌধটি তৈরি করেন শিল্পী হোসাইন মুনীর।
এরপর  বীর শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে এবং তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শ্রদ্ধা জানানো শেষে শুরু হয় আলোচনা পর্ব।
মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্যে আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন কাজী ইনসানুল হক, টিএম নাহিদ, কাজী আসগর আহমেদ সানী, শরাফুল ইসলাম, হোসাইন মুনীর, মো. জাকির হোসেন, শেখ ওয়াজির আহমেদ, আব্দুর রহমান, কাজী মাহফুজুল হক লাল, সালেহ মো. আরিফ, সুখেন ব্রহ্ম, শ্রী অজিত কুমার বড়–য়া, মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, ড. এবিএম রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোচনা পর্ব শেষ হলে শুরু হয় শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক পর্ব। এ পর্বের শুরুতে শিশু-কিশোররা সারিবদ্ধভাবে প্রথমেই স্মৃতিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধা জানায়।
প্রবাসী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে শিশু-কিশোরদের অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন গুলশান ফেরদৌস সাদ্ধী।
অনুষ্ঠানে ডা. তাজবীর আহমেদ কবি শামসুর রাহমানের ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন।
এরপর স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন উত্তরণ বাংলাদেশ কালচারাল গ্রুপ অব বাংলাদেশ সংগীতানুষ্ঠান পরিবেশন করে। উত্তরণ-এর শিল্পীরা এদিন প্রাণ খুলে বিজয়ের গান পরিবেশন করে, দর্শকরাও প্রাণ ভরে মুগ্ধ হয়ে তা উপভোগ করেন।
এর আগেও ১৬ ডিসেম্বর জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাস মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। তবে তা সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। ছিল কেবল ‘লীগ’ সম্বলিত বিভিন্ন নেতা বনে যাওয়াদের জন্য। আর সংগঠনের নামের আগে  বঙ্গবন্ধু জুড়ে দিলে তো কথাই নেই। পেশাহীন লোকও বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ করে নেতা বনে গিয়ে দূতাবাস কর্তৃক আমন্ত্রিত হন। শুধু তাই নয়, মোবাইল দেখে বক্তব্য রাখার সুযোগও পান। যদিও বিজয় দিবসের ওপর একটি বাক্যও বলার মতো কোনো যোগ্যতা তিনি দেখাতে পারেননি।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের মতে ঢাকার গুলশান-বনানীতে কৃষক লীগের কোনো প্রয়োজন না থাকলেও জাপানের টোকিওতে প্রয়োজন রয়েছে। অন্তত দূতাবাসের আমন্ত্রণ পাওয়ার জন্য। না থাকুক সাধারণ সদস্যদের উপস্থিতি। সভাপতি তো রয়েছেন। অপরদিকে সমাজে যাদের অবদান রয়েছে তাদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কিংবা লীগ জুড়ে না থাকায় দূতাবাস তাদের চেনে না। আর বিএনপি সংশ্লিষ্টতা থাকলে তো কোনো কথাই নেই। উপরের নির্দেশ এর কথা বলে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় দিবসের আয়োজনে তারা অস্পৃশ্য-অপাঙক্তেয়।
rahmanmoni@gmail.com
Bookmark and Share প্রিন্ট প্রিভিও | পিছনে 
প্রবাসে
 মতামত সমূহ
পিছনে 
 আপনার মতামত লিখুন
English বাংলা
নাম:
ই-মেইল:
মন্তব্য :

Please enter the text shown in the image.
বর্তমান সংথ্যা
পুরানো সংথ্যা
Click to see Archive
Doshdik
 
 
 
Home | About Us | Advertisement | Feedback | Contact Us | Archive