Logo
 বর্ষ ১১ সংখ্যা ৯ ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৫ ১৬ আগষ্ট, ২০১৮ 
প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
এই সময়/রাজনীতি
ডায়রি/ধারাবাহিক
স্বাস্থ্য
খেলা
প্রতিবেদন
সাহিত্য সংস্কৃতি
বিশ্লেষন
সাক্ষাৎকার
প্রবাসে
দেশজুড়ে
অনুষ্ঠান
ফিচার ও অন্যান্য
নিয়মিত বিভাগ
দেশের বাইরে
প্রতিবেদন
 
http://sadiatec.com/
সরোবর মিশে গেছে নর্দমায় গিয়ে!  
সু ই ডে ন

দেলওয়ার হোসেন

শেখ হাসিনার দেশ শাসন বা সরকার প্রসঙ্গ এলেই বশংবদেরা ভালো শাসক হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে সব সময় অতীতের তিন ঘৃণ্য শাসকের সাথে তুলনায় নিয়ে তার কীর্তির মূল্যায়ন ও বন্দনা কীর্তন করেন।
তুলনাটা যে করতে হয় সমগোত্রীয় পর্যায়ে, এটা কী পদলেহীরা বোঝে? শেখ হাসিনার কোন পূর্বসূরি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত জননন্দিত শাসক ক্ষমতায় থাকলে তার শাসনকালের কীর্তি দিয়েই তুলনীয় হতে পারতো শেখ হাসিনার কীর্তি। লম্পটদের শাসনকালের সাথে মোটেও নয়। ওরা কেউই নয় হাসিনার কাতারের যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী।
শেখ হাসিনা জনকল্যাণকে ধ্যান-জ্ঞান মেনেই জনগণের কাছে সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অঙ্গীকার করেই ক্ষমতায় এসেছেন। যে কোনো মূল্যে এই অঙ্গীকার পূরণে তার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যা অতীতের উল্লিখিত তিন ভ্রষ্টাচারী শাসকের ছিল না। সুতরাং কীর্তি গাঁথার বন্দনা পরিত্যাজ্যই হওয়া উচিত। তার কীর্তির মূল্যায়ন করবে জনগণ এবং ইতিহাস।
তবে তার কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র বিতর্ক থাকলেও সেই বিতর্ক তাকে এখনও কাবু করতে পারেনি। আর তাই তিনি নিরংকুশ সমর্থন প্রাপ্তির সুযোগে কুছ পরোয়া নেই স্টাইলে সেই ইস্যুটি নিয়ে মাথা ঘামাতে মোটেও ইচ্ছুক নন বলেই প্রমাণিত হচ্ছে। বরং সেই জ্বলন্ত ইস্যুটিকে ধামাচাপা দিয়ে বা পাশ কাটিয়ে হাঁটছেন উলটো পথে। এ প্রসঙ্গ এখানেই থাক।
একজন সুশাসককে জনগণ তার পুরস্কার দেয়, তাকে বারবার ক্ষমতায় এনে  এবং লোকপ্রিয় হিসেবে তার নন্দিত স্থান নির্ধারণ করে দিয়ে। একজন শাসক বা রাজনীতিকের এটিই সবচেয়ে বড় পুরস্কার। বলাইবাহুল্য- বঙ্গবন্ধু কন্যা সে পুরস্কার ইতোমধ্যেই পেয়ে গেছেন ইতিহাসের এক অনন্য নজিররূপে।
তার সাথে জাতির জনকের কন্যা হিসেবে জাতির কাছ থেকে তার প্রাপ্য অকুণ্ঠ ও অন্তহীন ভালোবাসা যুক্ত হয়ে তিনি ইতোমধ্যেই পরিণত হয়েছেন জাতির স্বপ্ন ও ভরসার প্রতীকে। এ সত্য তার নিন্দুকেরাও নির্দ্বিধায় উপলব্ধি করেন, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
শাসক শেখ হাসিনার বিরামহীন বন্দনা কীর্তনের এই নর্দমাতুল্য জীবগুলো হয়তো স্বচ্ছ সরোবর চোখে দেখেনি, তাই স্বচ্ছ সরোবরকেও বিবেচনা করে নর্দমা হিসেবে! আর তুলনাটাও হয় সেভাবেই। রসিকজনেরা যেমন বলেন- ওদের কাছে ঘি-শুঁটকির একই দর! তাই তুলনাটা ভালো হয় কী করে?
dehossain@gmail.com
Bookmark and Share প্রিন্ট প্রিভিও | পিছনে 
প্রবাসে
  • বাংলাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে টোকিওতে মানববন্ধন
  • [প্রবাস প্রতিবেদন] পোল্যান্ডে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সুবিধা
  •  মতামত সমূহ
    পিছনে 
     আপনার মতামত লিখুন
    English বাংলা
    নাম:
    ই-মেইল:
    মন্তব্য :

    Please enter the text shown in the image.
    বর্তমান সংথ্যা
    পুরানো সংথ্যা
    Click to see Archive
    Doshdik
     
     
     
    Home | About Us | Advertisement | Feedback | Contact Us | Archive