Logo
 বর্ষ ১১ সংখ্যা ২৫ ১৪ই অগ্রহায়ন, ১৪২৫ ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ 
প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
এই সময়/রাজনীতি
ডায়রি/ধারাবাহিক
স্বাস্থ্য
খেলা
প্রতিবেদন
সাহিত্য সংস্কৃতি
বিশ্লেষন
সাক্ষাৎকার
প্রবাসে
দেশজুড়ে
অনুষ্ঠান
ফিচার ও অন্যান্য
নিয়মিত বিভাগ
দেশের বাইরে
প্রতিবেদন
 
http://sadiatec.com/
ত্রিদেশীয় সিরিজ : শিরোপা জিততে চায় বাংলাদেশ -মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেল  
নতুন বছরে ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে মাঠের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। সেখানে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। অনেকদিন পর তিন জাতির এ আসরে বাংলাদেশের লক্ষ্য সরাসরি শিরোপা জয় করা। বিশেষত্ব হিসেবে এবার সদ্যই জাতীয় দলের কোচ হিসেবে পদত্যাগ করা চন্দ্রিকা হাতুরুসিংহকে পাচ্ছে প্রতিপক্ষ হিসেবে। এরপরই টেস্ট সিরিজ খেলতে নামবে লংকানদের বিপক্ষে। সেখানে নতুন অধিনায়ক হিসেবে পাবে সাকিব আল হাসানকে। এর আগে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে সেই আসরে ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে বাংলাদেশ হেরে যায় ২ উইকেটে।  সেই হার এখনও ভুলতে পারেননি সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালরা। নতুন বছরে টাইগারদের শুরুটা হবে ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে। সেই হতাশা ঝেড়ে ফেলে এবার দেশকে ট্রফি এনে দিতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। টুর্নামেন্টে ফেভারিট বাংলাদেশ, একথা খেলোয়াড়রা দৃঢ়তার সঙ্গেই বলেছেন। যে দুই প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলা হবে, তাদের ভালোভাবে আগে মোকাবিলা করেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা সবই জানে, যদিও এখন আর অজানা কিছু থাকেনা। এই সিরিজ আকর্ষণীয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শ্রীলঙ্কা যেমন শক্তিশালী দল ঠিক তেমনি জিম্বাবুয়েও জ্বলে ওঠার ক্ষমতা রাখে। তবে ঘরের মাঠে পরিষ্কার ফেভারিট বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজে শিরোপা জিততে পারলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টে সিরিজে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। ১৫ জানুয়ারি শুরু হয়ে আসর শেষ হবে ২৭ জানুয়ারি।

জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি কাগজ-কলমের হিসেব বলছে, এ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ফেভারিট। বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা, টিম ম্যানেজমেন্টও একই কথা বলছে। নিজেদের ফেভারিট মানতে আপত্তি নেই ওয়ানডে দলের সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসানেরও। তার মতে, খুবই প্রতিদ্বন্ধিতা পূর্ণ হতে পারে এই টুর্নামেন্ট। কারণ, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে দুটি দলই বাংলাদেশ সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে। এই কারণে সাকিব বলছিলেন, ‘স্বাগতিক হওয়ার পাশাপাশি পারফরম্যান্সের কারণে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আছে। আমরা তো মনে করি আমাদের খুব ভালো সম্ভাবনাই আছে। কিন্তু দুটা দলই ভালো। কেউই খারাপ না। আর যেহেতু দুটা দলই আমাদের খেলোয়াড় এবং কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো জানে তাই আমার মনে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হবে। তবে যেহেতু আমরা অনেক ভালো একটা দলে পরিণত এখন তাই আমাদের ভালো করার সম্ভাবনাই অনেক বেশি।’ এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের আরেকটা দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, এখানে নেই দলের সঙ্গে কোনো প্রধান কোচ। যদিও বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, এই সিরিজে মাশরাফি-সাকিবদেরই কোচের দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাকিব বলছিলেন, এই কোচের না থাকা নিয়ে খুব চিন্তা করার কারণ নেই। তারা অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক হিসেবে বাড়তি দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছেন।

দায়িত্ব উপভোগ করছেন সুজন
জাতীয় দলের সঙ্গে বিগত দিনে নানারকম পরিচয়ে জড়িত রয়েছে খালেদ মাহমুদ সুজন। সর্বশেষ ম্যানেজার হয়ে খেলোয়াড়দের কাছে প্রিয়মুখ হয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক। তবে কোচ ছাড়া একটা ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট এবং একটা টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে হবে বাংলাদেশকে। চ্যালেঞ্জটা তাই কম নয়। বিশেষ করে দেশের দর্শকের সামনে ত্রিদেশীয় সিরিজটা জয়ের জন্য বাংলাদেশ দলের ওপর থাকবে বাড়তি একটা চাপ। দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে নতুন দায়িত্ব পাওয়া খালেদ মাহমুদ সুজন বলছেন, ’দায়িত্বকে কখনোই চাপ মনে করি না। এই চাপটাকে চাপ হিসেবে নয়, সুযোগ হিসেবে দেখছে তার দল। ঘরের মাঠে চাপটা এখন তার দলের ছেলেরা উপভোগ করে বলেই মনে হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রত্যাশার চাপ থাকে কিন্তু আবার সাপোর্ট ওরিয়েন্টেড ব্যাপারও থাকে। যেমন যখন ভালো খেলতে থাকে দর্শকরা মাঠে যেভাবে চিৎকার করে, সেটা আমাদের জন্য সবসময়ই হেল্প করে। চাপ থাকবে তবে  ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট মানেই চাপ। আমি মনে করি শেষ সাড়ে তিন বছরে আমাদের যে পারফরম্যান্স প্রত্যাশার এই প্রেসারটা আমরা উপভোগ করি। অনেক ম্যাচ জিতেছি আমরা ঢাকায় বা আমাদের কন্ডিশনে। ছেলেরা তা উপভোগ করে।’ ব্যক্তিগতভাবে সুজনের জন্যও এটা নতুন একটা চ্যালেঞ্জ। আগে জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন, ম্যানেজার ছিলেন, সহকারী কোচ ছিলেন। এই প্রথম প্রায় কোচ হিসেবেই খেলতে হবে এই সিরিজ ও টুর্নামেন্টগুলো।

অতিরিক্ত দায়িত্বে মাশরাফি-সাকিব
জাতীয় দল বেশ কয়েক মাস ধরে প্রধান কোচবিহীন অবস্থায় রয়েছে। বলতে গেলে এখন কাগজে-কলমে কোচ নেই। খালেদ মাহমুদ সুজন টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের ভূমিকায় থাকলেও তার কাজ আসলে কোচের। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের চোখে অবশ্য মাশরাফি মুর্তজা আর সাকিব আল হাসান এ মুহূর্তে জাতীয় দলের ‘কোচ’! আগামী ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা আর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে শুরু হবে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ। এরপর শ্রীলঙ্কার সঙ্গে টাইগারদের দুটি টেস্ট আর দুটি টি-টোয়েন্টি। আসন্ন লড়াইয়ে দুই অধিনায়ককে কোচ হিসেবে দেখছেন বোর্ড সভাপতি। সিরিজ শুরু সপ্তাহ দুয়েক আগে তিনি বলেছেন, ‘আমাকে জিজ্ঞেস করলে  বলব, এখন আমাদের কোচ সাকিব আর মাশরাফি। ওদের ওপরে সব দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, আর ওরা বেশ আত্মবিশ্বাসী। কয়েকদিন আগে আমরা সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে বসেছিলাম। খেলোয়াড়রা তখন ত্রিদেশীয় আর শ্রীলঙ্কা সিরিজ কোচ ছাড়া খেলার কথা বলেছিল। ধরে নিন, এবার সাকিব-মাশরাফি দলের কোচ।’ সাকিব এখন বাংলাদেশের টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। মাশরাফির কাঁধে যথারীতি ওয়ানডে দলের দায়িত্ব। দুই অধিনায়কের সঙ্গে বছরের প্রথম দিনেই সভায় বসেছিলেন বোর্ডপ্রধান।

সুযোগ রেটিং পয়েন্ট বাড়ানোর
২০১৭ সালে দারুণ কিছু অর্জন হয়েছে বাংলাদেশ দলের। ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে গত বছরই। এবার নতুন বছরের শুরুতেই রেটিং পয়েন্ট বাড়ানোর সুযোগ সামনে চলে এসেছে। নতুন বছরের প্রথম মাসেই ওয়ানডে ম্যাচে ঠাসা থাকছে বিশ্বক্রিকেটের সূচি। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশের মাটিতে এই মাসে মোট ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আইসিসির এক ই-মেইলে জানা গেছে, এসব ম্যাচের হিসাব আর পরিসংখ্যানে ওলটপালট হয়ে যেতে পারে ওয়ানডে র‌্যাংকিংও। শুরুটা হয়েছে নিউজিল্যান্ড আর পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে। ৫ ম্যাচের এই ওয়ানডে সিরিজ শেষ হবে ১৯ জানুয়ারি। এ মুহূর্তে ১১২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে র‌্যাংকিংয়ের ৫ নম্বরে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। আর তাদের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট কমে পাকিস্তানের অবস্থান ৬ নম্বরে। এই সিরিজটি নিউজিল্যান্ড যদি ৫-০তে জিতে যায়, তাহলে তাদের মধ্যে রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াবে ১৯। অন্যদিকে, যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ, পাকিস্তান যদি সব ম্যাচ জিতে যায়, তাহলে দুদলের রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান কমে দাঁড়াবে ২। এই মাসে ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেখানেও টাইগারদের সামনে রেটিং পয়েন্ট এবং র‌্যাংকিং বাড়ানোর সুযোগ থাকছে। এই মুহূর্তে ৯২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান সাত নম্বরে। মাশরাফিদের রেটিং পয়েন্ট ৯২। আট নম্বরে থাকা শ্রীলঙ্কার রেটিং পয়েন্ট ৮৪। আর ১০ নম্বরে থাকা জিম্বাবুয়ের রেটিং পয়েন্ট ৫২। ত্রিদেশীয় সিরিজ যদি বাংলাদেশ জিতে যায়, তাহলে টাইগারদের রেটিং পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়াবে ৯৫। আর যদি শ্রীলঙ্কা জিতে নেয় ট্রফি, তাহলে তাদের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৮৭। আর জিম্বাবুয়ে জিতলে হবে ৬১। ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ খুব খারাপ করলে তাদের রেটিং পয়েন্ট নেমে যাবে ৮৪তে। অন্যদিকে, লংকানরা খুব খারাপ করলে নেমে যাবে ৮১ রেটিং পয়েন্টে।

সেই হাথুরুই এবার প্রতিপক্ষ
বাংলাদেশের ক্রিকেটের অনেক অর্জনের সঙ্গে লংকান চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহের নাম জড়িয়ে গেছে। অনেকটা হঠাৎ করেই এই দেশ ছেড়ে গেছেন তিনি। যোগ দিয়েছেন নিজদেশে। আর প্রথমেই সদ্য সাবেক হওয়া শিষ্যদের মুখোমুখি হয়েছে। ১২ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। লংকান দলের দায়িত্ব নিয়ে আসবেন বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব ছেড়ে সদ্যই শ্রীলঙ্কা দলের সঙ্গে যোগ দেয়া কোচ  হাথুরুসিংহে। সিরিজ সামনে রেখে হাথুরুসিংহের অধীনে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছে লংকান দল। অনুশীলনে নতুন শিষ্যদের সঙ্গে একান্তে বেশ কিছুক্ষণ কথাও বলেন লংকান এই কোচ। দলের বোলিং কোচ রমেশ রতœায়েকের সঙ্গেও কাটান বেশ কিছু সময়। লংকানদের বাংলাদেশ মিশন শুরু হবে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সিরিজের অন্য দল জিম্বাবুয়ে।

শিরোপায় চোখ মাশরাফির
দেশের মাটিতে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন সমীহ করা দলে পরিণত হয়েছে। দেশের বাইরেও খুব খারাপ করছে না। সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা সিরিজে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ ড্রই তার প্রমাণ বহন করে। লংকানদের পাশাপাশি জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ক্যাম্পের শুরুতে ছিলেন ওয়ানেড অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। স্ত্রী-কন্যার চিকিৎসার প্রয়োজনে থাইল্যান্ডে ছিলেন তিনি। মাশরাফি অনুশীলনে থাকা মানেই সবকিছুই যে আরও চাঙ্গা আরও প্রাণবন্ত এর আঁচ পাওয়া গেল যোগ দেয়ার পরই। সতীর্থরা দলনায়ককে অনুশীলনে স্বাগত জানালেন। মজা করে অনেকে খোঁজখবরও নিলেন নতুন ‘কোচ’এর। অনেকে আবার তাকে জিজ্ঞেস করেছেন, ‘আপনি কি ব্যাটিং কোচ, নাকি বোলিং?’ মাশরাফিও সেই সম্বোধন ফিরিয়ে দেন স্বভাবসুলভ মজা করেই। তবে ‘কোচ’ বলতে বিসিবি সভাপতি মাশরাফিকে যে কি বোঝাতে চেয়েছেন তা কিন্তু ঠিকই বুঝেছেন ম্যাশ। যার অর্থ হলো নিজের দায়িত্বের পরিধি আরও বাড়িয়ে নেয়া। এমনিতেই মাশরাফির দায়িত্ব নিয়ে কারও কোনো প্রশ্ন নেই। সবসময় নিজের সর্বোচ্চতা দিয়েই দলকে নেতৃত্ব নিয়ে আসছেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’। ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘বর্তমানে যে ক্রিকেট আমরা খেলছি তাতে করে আশাবাদী হতেই পারি। এখানে শিরোপা জিততে চাই। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা সফর আমাদের ভালো যায়নি। বাজে সময় আসতেই পারে। এখন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেটা মাথায় না রেখে খেলা। সেদিকেই মন দেয়া উচিত আমাদের। ত্রিদেশীয় সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরার পর সবাই হতাশ। আমরা যদি এটা জিততে পারি, তাহলে পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যেতে পারে।’

শৃঙ্খলা নিয়ে বিসিবির কড়া বার্তা
বাংলাদেশের ক্রিকেটে শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। মিডিয়ার সামনে কথা বলতেও দক্ষতার ছাপ রাখতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ- বিপিএল নিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছিল বিসিবি। এরপর জাতীয় ক্রিকেট লিগে ঘটে যায় অপ্রীতিকর ঘটনা। সেখান থেকেই শাস্তি পেয়েছেন তামিম ইকবাল ও সাব্বির রহমান। দারুণ সম্ভাবনাময়ী এক ক্রিকেটার হিসেবে সাব্বিরকে বিবেচনা করা হতো। তবে সব মেধা এবং প্রতিভা বুঝি তার বাজে আচরণের কাছে হার মেনে যাবে! তেমনই তো খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে এখন! জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডের খেলা চলাকালে ক্ষুদে এক দর্শককে পেটানো, ম্যাচ অফিসিয়ালদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ফলে ডিসিপ্লিনারি কমিটি তার বড় ধরনের শাস্তির সুপারিশ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে, বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ দেয়া, ২০ লাখ টাকা আর্থিক জরিমানার সঙ্গে ৬ মাস ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা। এছাড়া বিপিএল চলাকালীন সময়ে পিচ নিয়ে অযাচিত মন্তব্য করায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে তামিম ইকবালকে। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু সাব্বির রহমানের। এরপর গত তিন বছরে অনেক বিতর্কেরই জন্ম দিয়েছেন তিনি। সবচেয়ে বড় ঘটনার জন্ম দেন ২০১৬ সালে বিপিএলের চতুর্থ আসরে। চট্টগ্রামে হোটেলে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির কারণে ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল তাকে। এরপর বিপিএলের পঞ্চম আসরেও আম্পায়ারের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য জরিমানা করা হয় তার। শুধু তাই নয়, শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়েছে তার নামের পাশে। এতকিছুর পরও সতর্ক না হয়ে দর্শক পেটানোর মতো কাজ করে নিজের ক্যারিয়ারকেই হুমকির মুখে ফেলে দিলেন সাব্বির। বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন, সাব্বির ও তামিমের শাস্তি ক্রিকেটারদের জন্য একটা বার্তা।

ত্রিদেশীয় সিরিজের সূচি
    তারিখ    ম্যাচ    ভেন্যু

    ১৫ জানুয়ারি    বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে    মিরপুর
    ১৭ জানুয়ারি    শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ে    মিরপুর
    ১৯ জানুয়ারি    বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা    মিরপুর
    ২১ জানুয়ারি    জিম্বাবুয়ে-শ্রীলঙ্কা    মিরপুর
    ২৩ জানুয়ারি    বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে    মিরপুর
    ২৫ জানুয়ারি    বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা    মিরপুর
    ২৭ জানুয়ারি    ফাইনাল    মিরপুর


Bookmark and Share প্রিন্ট প্রিভিও | পিছনে 
খেলা
  • ‘গত ১০ বছরে নতুন কোনো গ্র্যান্ডমাস্টার না হওয়াই প্রমাণ করে দাবা কতটা পিছিয়েছে’ --জিয়াউর রহমান
  •  মতামত সমূহ
    পিছনে 
     আপনার মতামত লিখুন
    English বাংলা
    নাম:
    ই-মেইল:
    মন্তব্য :

    Please enter the text shown in the image.
    বর্তমান সংথ্যা
    পুরানো সংথ্যা
    Click to see Archive
    Doshdik
     
     
     
    Home | About Us | Advertisement | Feedback | Contact Us | Archive